menu

শেয়ারবাজারে সূচকের সামান্য উত্থান লেনদেন ও দরের পতন

    সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
  • ঢাকা , বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০
image

আগেরদিন সামান্য পতন হলেও গতকাল কিছুটা উত্থানে শেষ হয়েছে শেয়ারবাজারের লেনদেন। এদিন উভয় শেয়ারবাজারের প্রধান প্রধান সূচক কিছুটা বেড়েছে। তবে টাকার পরিমাণে লেনদেন এবং বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর কমেছে। ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১ বছর পর ৫ হাজার ১০০ পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৮.৪০ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ১০০.৫৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে। সূচকটি দীর্ঘ ১ বছর বা ১২ মাস ১৬ দিন বা ২১৫ কার্যদিবস পর ৫ হাজার ১০০ পয়েন্ট অতিক্রম করেছে। আর আগে ডিএসইর এই সূচকটি ২০১৯ সালের ২৮ আগস্ট গতকালের চেয়ে বেশি অর্থাৎ ৫ হাজার ১৩৯ পয়েন্টে অবস্থান করছিল। গতাকাল ডিএসইর অপর সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ০.১৪ পয়েন্ট, ডিএসই-৩০ সূচক ৫.৩৩ পয়েন্ট এবং নতুন চালু হওয়া সিডিএসইটি সূচক ৩ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১১৭০.৫৬, ১৭৬১.৩৩ ও ১০৩৩.২৬ পয়েন্টে। ডিএসইতে এদিন টাকার পরিমাণে লেনদেন হয়েছে ৯৯৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট। যা আগের দিন থেকে ১৫৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা কম। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ১৪৮ কোটি ৯৫ লাখ টাকার। এছাড়া ডিএসইতে ৩৫৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১২৮টির বা ৩৬.০৬ শতাংশের শেয়ার ও ইউনিট দর বেড়েছে। দর কমেছে ১৭৪টির বা ৪৯.০২ শতাংশের এবং ৫৩টি বা ১৪.৯২ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই গতকাল ০.৪৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৫২৩.৮৮ পয়েন্টে। এদিন সিএসইতে হাত বদল হওয়া ২৭৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ৮৬টির, কমেছে ১৫৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৭টির দর। এছাড়া গতকাল সিএসইতে ২৬ কোটি ১২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।

এদিকে গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে ৩১টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এসব কোম্পানির ৫৪ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। কোম্পানিগুলোর ১ কোটি ১৭ লাখ ৮৮ হাজার ৩৬৯টি শেয়ার ৯৬ বার হাত বদল হয়েছে। এর মাধ্যমে কোম্পানিগুলোর ৫৪ কোটি ৩৯ লাখ ৮২ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ১৫ কোটি ৩২ লাখ ৩২ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে ওরিয়ন ফার্মার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬ কোটি ৪২ লাখ টাকার বারাকা পাওয়ারের এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ ৪ কোটি ৪২ লাখ ৫০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের।

এছাড়া ইউনাইটেড পাওয়ারের ২ কোটি ৭০ লাখ ৫০ হাজার টাকার, এসকে ট্রিমসের ১ কোটি ৪ লাখ ৩৪ হাজার টাকার, সী পার্লের ২২ লাখ ৩৫ হাজার টাকার, সালভো কেমিক্যালের ১২ লাখ ৯০ হাজার টাকার, রানার অটোমোবাইলসের ৬ লাখ ২০ হাজার টাকার, রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্সের ৬ লাখ ১৬ হাজার টাকার, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্সর ৯ লাখ ১৮ হাজার টাকার, পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের ২ কোটি ৬১ লাখ ৩০ হাজার টাকার, ওরিয়ন ইনফিউশনের ১০ লাখ ২ হাজার টাকার, এমএল ডাইংয়ের ২০ লাখ ৯২ হাজার টাকার, মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ১ কোটি ৯৯ লাখ ৫০ হাজার টাকার, ম্যারিকোর ১ কোট ৪১ লাখ ৪০ হাজার টাকার, ম্যাকসন্স স্পিনিংয়ের ৬ লাখ ৩৯ হাজার টাকার, কেডিএস এক্সেসরিজের ২৬ লাখ ৬৫ হাজার টাকার, ইনটেকের ৪৮ লাখ ৮৬ হাজার টাকার, গোল্ডেন হার্ভেস্ট এগ্রোর ৩৪ লাখ টাকার, জেনেক্সের ১৩ লাখ ৮৪ হাজার টাকার, ফাইন ফুডসের ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকার, ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্সের ৬ লাখ ৫২ হাজার টাকার, ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ৪ কোট ৩৫ লাখ ২০ হাজার টাকার, ডিবিএইচের ৪৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার, সিটি ব্যাংকের ৪ কোটি ২৮ লাখ ৪০ হাজার টাকার, ব্র্যাক ব্যাংকের ১ কোটি ৯১ লাখ ৯২ হাজার টাকার, এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের ৪০ লাখ ৯৮ হাজার টাকার, এম্বি ফার্মার ৫ লাখ ১২ হাজার টাকার, এডিএন টেলিকমের ৮ লাখ ৬৬ হাজার টাকার এবং আমান কটনের ২৮ লাখ ৮০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।