menu

লেনদেন ও সূচক বেড়েছে উভয় শেয়ারবাজারে

    সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
  • ঢাকা , শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২০
image

গত বুধবারের মতো গতকালও উত্থানে শেষ হয়েছে শেয়ারবাজারের লেনদেন। এদিন উভয় শেয়ারবাজারের সব সূচক বেড়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স সাড়ে ৪ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে অবস্থান করছে। এদিন সূচকের সঙ্গে টাকার পরিমাণে লেনদেনও বেড়েছে। আর লেনদেনে অংশ নেয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বেশিরভাগেরই শেয়ার ও ইউনিট দর অপরিবর্তিত বেড়েছে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই ও সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৪৩.২২ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ২১৪.৪২ পয়েন্টে। যা ৪ মাস ১৯ দিন বা ৫৩ কার্যদিবসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে চলতি বছরের ১১ মার্চ ডিএসইএক্স গতকালকের চেয়ে বেশি অর্থাৎ ৪ হাজার ২৩১ পয়েন্টে অবস্থান করছিল। গতকাল ডিএসইর অপর সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ১১.৮৪ পয়েন্ট, ডিএসই-৩০ সূচক ১৮.৮৪ এবং সিডিএসইটি ৭.৯০ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ৯৭৬.৪৯ পয়েন্টে, ১৪২০.৬৩ এবং ৮৩০.২৮ পয়েন্টে। ডিএসইতে গতকাল ৫৮০ কোটি ৯০ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। যা আগের দিন থেকে ১৮১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা বেশি। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৩৯৯ কোটি ৫২ লাখ টাকার। ডিএসইতে গতকাল ৩৪৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ১৬২টির বা ৪৬.৫৫ শতাংশের, শেয়ার দর কমেছে ৫৮টির বা ১৬.৬৬ শতাংশের এবং ১২৮টির বা ৩৬.৭৮ শতাংশের শেয়ার ও ইউনিট দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৮২.২৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৯৫৭.০৬ পয়েন্টে। সিএসইতে গতকাল ২৩৪টি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯৮টির দর বেড়েছে, কমেছে ৪২টির আর ৯৪টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। সিএসইতে ১১ কোটি ৮৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে ২৪টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এসব কোম্পানির ৮৩ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। কোম্পানিগুলোর ৫৮ লাখ ৫ হাজার ৭৩৩টি শেয়ার ২৪৫ বার হাত বদল হয়েছে। এর মাধ্যমে কোম্পানিগুলোর ৮২ কোটি ৯৩ লাখ ৭ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ৪৫ কোটি ৪ লাখ ৮৫ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে ব্রিটিশ আমেরিকান ট্যোবাকোর। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১০ কোটি ১০ লাখ ৯০ হাজার টাকার রেনেটার এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ ৮ কোটি ৭৯ লাখ ৭৫ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের।

এছাড়া ভিএসএফ থ্রেড ডাইংয়ের ৬৬ লাখ ৮০ হাজার টাকার, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকের ৫ লাখ ৮৭ হাজার টাকার, এসকে ট্রিমসের ১ কোটি ২৬ লাখ ৯৩ হাজার টাকার, সিঙ্গারের ১ কোটি ৭৩ লাখ ১৬ হাজার টাকার, সুহৃদের ৩০ লাখ ৩৮ হাজার টাকার, সি পার্লের ৬৬ লাখ ৬৩ হাজার টাকার, রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৫ লাখ ৩২ হাজার টাকার, রানার অটোমোবাইলসের ৩০ লাখ ৭৯ হাজার টাকার, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের ৬১ লাখ ৭৯ হাজার টাকার, প্রিমিয়ার ব্যাংকের ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকার, পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের ১ কোটি ৯৯ লাখ ৪৩ হাজার টাকার, ফার্মা এইডসের ৩৮ লাখ ৫২ হাজার টাকার, প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্সের ৩৭ লাখ ৮০ হাজার টাকার, পদ্মা অয়েলের ২ কোটি ৫৩ লাখ ৬০ হাজার টাকার, নিটল ইন্স্যুরেন্সের ২ কোটি ১৭ লাখ ৯৩ হাজার টাকার, মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্সের ৫ লাখ টাকার, লাফার্জহোলসিমের ২ কোটি ৩৩ লাখ ৭৬ হাজার টাকার, কোহিনুর কেমিক্যালের ২০ লাখ ৮২ হাজার টাকার, গ্রামীণফোনের ২ কোটি ৫১ লাখ ৩৯ হাজার টাকার, ঢাকা ব্যাংকের ৮ লাখ ৩৩ হাজার টাকার এবং ব্র্যাক ব্যাংকের ৫৭ লাখ ৯২ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।