menu

প্লেসমেন্ট শেয়ারে তিন বছরের লক-ইন চায় ডিএসই

    সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
  • ঢাকা , শুক্রবার, ১৫ মার্চ ২০১৯

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজারে কোম্পানি তালিকাভুক্তির আগে ইস্যু করা প্লেসমেন্ট শেয়ার বিক্রির ক্ষেত্রে তিন বছরের লক-ইন আরোপ করতে চায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। এমনকি প্লেসমেন্ট শেয়ারের বিপরীতে প্রাপ্ত বোনাস শেয়ারের ওপরও তিন বছরের লক-ইন চাইছে ডিএসই’র পর্ষদ। এজন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে প্রস্তাব পাঠানোর পাশাপাশি আইপিও অনুমোদনের সময় স্টক এক্সচেঞ্জের পক্ষ থেকে ৩ বছরের লক-ইন আরোপের সুপারিশ করা হবে। বুধবার অনুষ্ঠিত ডিএসইর পর্ষদ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

পরিচালনা পর্ষদ সূত্রে জানা যায়, অনিয়ন্ত্রিত প্লেসমেন্ট শেয়ারের কারণে বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এটিকে নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে পুঁজিবাজারে আবারও ধস নামবে। তাই বিএসইসি’র কাছে প্রি-আইপিও প্লেসমেন্টসহ এর বিপরীতে প্রাপ্ত বোনাস শেয়ারের ওপরও ৩ বছরের লক-ইন আরোপের প্রস্তাব দেবে। একই সঙ্গে ডিএসইর পক্ষ থেকে আইপিওর সময় যেসব সুপারিশ করা হয়, তাতে প্লেসমেন্ট শেয়ারের ওপর ৩ বছরের লক-ইনের বিষয়টি উল্লেখ থাকবে।

ডিএসই মনে করে, কিছু মানুষের ব্যক্তিস্বার্থের জন্য প্লেসমেন্ট শেয়ার নিয়ে নৈরাজ্য চলছে। আইপিওর আগে ১০ টাকার শেয়ার প্লেসমেন্টে ২৫ টাকায়ও বিক্রি করা হয়। বিদ্যমান আইন অনুসারে প্রসপেক্টাস ইস্যুর তারিখ থেকে এক বছর পর্যন্ত প্লেসমেন্ট শেয়ার বিক্রির ওপর লক-ইন রয়েছে। কিন্তু এটি পর্যাপ্ত নয়। কারণ প্রসপেক্টাস ইস্যুর পর স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন শুরু হতেই বেশ কয়েক মাস চলে যায়। তালিকাভুক্তির পর প্লেসমেন্টধারীরা সুযোগের অপেক্ষায় থাকে, কখন তাদের শেয়ারের ওপর থেকে লক-ইন উঠে যাবে আর তারা শেয়ার বিক্রি করে চলে যাবে।

প্লেসমেন্ট শেয়ার লক-ইন ফ্রি হয়ে যাওয়ার পর বাজারে শেয়ার বিক্রির হিড়িক নামে এবং এতে বাজারে স্থিতিশীলতা নষ্ট হয়। তাই দেশের অর্থনীতি তথা পুঁজিবাজারের স্বার্থে প্লেসমেন্ট শেয়ার নিয়ে যে অরাজকতা চলছে, সেটি নিয়ন্ত্রণে সরকারের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন রয়েছে।

সভায় মুন্নু সিরামিকের অর্ধবার্ষিক সময়ের (জুলাই-ডিসেম্বর) অস্বাভাবিক মুনাফার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।