menu

স্লোভেনিয়ান কবি গ্লোরিয়ানা ভিবারের সাক্ষাৎকার

‘বাংলাদেশ আমাকে গোলাপের কথা মনে করিয়ে দেয়’

  • ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০১৯
image

গ্লোরিয়ানা ভিবার (ডান দিক থেকে দ্বিতীয়)। সর্ব বাঁয়ে সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী কবি-অনুবাদক রাজিয়া সুলতানা, মীর রবি, কবি ও প্রাবন্ধিক মাসুদুজ্জামান ও সর্ব ডানে কবি ওবায়েদ আকাশ

সম্প্রতি একুশে বইমেলায় মার্কিন প্রবাসী বাংলাদেশী কবি ও

অনুবাদক রাজিয়া সুলতানার সঙ্গে বাংলাদেশে এসেছিলেন স্লোভেনিয়ার প্রখ্যাত কবি গ্লোরিয়ানা ভিবার। এবারের একুশের বইমেলায় এবং স্লোভেনিয়ার রাজধানী ইউবিয়ানা থেকে একই সঙ্গে ‘নৈঃশব্দ্যের কাছাকাছি’ নামে ভিবারের একটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়। ভিবারের কবিতাগুলি বাংলায় অনুবাদ করেছেন রাজিয়া সুলতানা। সম্পাদনা করেছেন তীরন্দাজ ওয়েবজিনের সম্পাদক ও কবি মাসুদুজ্জামান। বইমেলা থেকে ফিরে যাবার মুহূর্তে ভিবারের বইমেলা দেখার সার্বিক অভিজ্ঞতার ওপর একটা সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন অনুবাদক নিজেই। ‘সংবাদ সাময়িকী’র পাঠকদের জন্য সেই সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরা হলো

প্রশ্ন : নতুন একটা দেশে এলে। বাংলাদেশের মানুষ সম্পর্কে তোমার অভিজ্ঞতার কথা বলো।

উত্তর : বাংলাদেশে আসার এই অভিজ্ঞতা ভোলার মতো নয়। এখানে এসেই সহসা তোমার মনে হবে অপার সৌন্দর্যের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছ। সুন্দরতম এক অনুভূতি এটা। শব্দের প্রজাপতি যেন তোমার সারা শরীরে উড়ছে। জনগণ আর সংস্কৃতি একটা দেশের সম্পদ। সে দেশের ভাষা না বুঝেও কমবেশি তা অনুভব করা যায়। বলতে পারো এটা একটা শক্তি, আমি যাকে কবিতা বলি। আমার অভিজ্ঞতায় ইতিহাস আর ভাষার প্রতি বাংলাদেশের মানুষের রয়েছে অগাধ শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা। তোমাদের কাছ থেকে শেখার আছে অনেক কিছু। বাংলাদেশ আমাকে গোলাপের কথা মনে করিয়ে দেয়। গোলাপগাছ বড় হয় তারপর একদিন তাতে ফুল ফোটে, আকাশ আর মাটিকে স্বাগত জানায়। সেজন্যেই গোলাপ এত সুন্দর। তোমরা ভাষার গোলাপকে ভালোবেসে যুদ্ধ করেছ, যুদ্ধ করে সেই গোলাপকে বাঁচিয়েছ আর এখন তার পরিচর্যায় নিবেদিত আছ। সত্যিই খুব ভালো লাগে ভাবতে এই ব্যাপারটা। তাই তোমাদের প্রতি অগাধ শ্রদ্ধা আমার।

প্রশ্ন : বাংলাদেশে আসার আগে কী ভেবেছিলে, আর এখন কী ভাবছ?

উত্তর : জীবনযাপন করতে গিয়ে আমরা সবসময়ই শান্তি চাই, যদিও সমাজ নিরন্তর আমাদের ওপর প্রভাব বিস্তার করে চলে। কিন্তু আমাদের জীবনে পরিবর্তন আসে, আমরা বেড়ে উঠি, বিকশিত হই। অনেকেই আমাকে বলেছে যে আমি পাগল ছাড়া কিছু নই। কেননা আমি দরিদ্র আর বিপজ্জনক একটা দেশে যাবার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি বলেছি, এই পাগলামিটা অন্য রকম। আত্মার ভেতরে, গহীনে শব্দ উচ্চারিত হয়। আমি সেই মৃদু আওয়াজ প্রথমে যখন কবি মাসুদুজ্জামান আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন, তখনই তা শুনতে পাই। এরপর তুমি আমার কবিতা অনুবাদ করতে শুরু করলে, আমরা একসঙ্গে কাজ করতে শুরু করলাম। কবিতাকে দীর্ঘ সময় দিলাম। কাজ করতে গিয়ে আমরা যেন একটা পারিবারিক বন্ধনে আবদ্ধ হলাম। তোমাদের অতিথিপরায়ণতা আমাকে দারুণ মুগ্ধ করেছে। কবিতার জন্যই এই বন্ধন সম্ভব হলো। চিরদিন আমাদের যোগাযোগ থাকবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

প্রশ্ন : বাংলাদেশে চলতে ফিরতে কোনো অসুবিধা হয়েছিল?

উত্তর : মোটেও না। তবে এ কথাও সত্য যে, এত নিরাপত্তাকর্মীকে আমি কখনো কাজ করতে দেখিনি। আমাদের দেশ স্লোভেনিয়ায় পুলিশকে রাস্তায় হাঁটতে দেখি না, তারা থাকে গাড়িতে। সেদিক থেকে আমার মনে হয়েছে স্লোভেনিয়া অনেক বেশি নিরাপদ। রাস্তার জ্যাম, শব্দ, মানুষের অনর্গল কথা বলা, এসব খেয়াল করেছি- যা স্লোভেনিয়ায় দেখা যায় না, যা ঢাকার জন্য স্বাভাবিক ও সুন্দর।

প্রশ্ন : তোমাকে দেয়া অভ্যর্থনা কেমন লেগেছে?

উত্তর : কবিতার শক্তি এটাই- শব্দ, রঙ আর হাসি মানুষকে বন্ধুত্বের বাঁধনে বেঁধে ফেলে। আর বাইরে যা কিছু ঘটে তাকেও স্পর্শ করে কবিতা। কিন্তু প্রকৃতিতে শুরু বা শেষ বলতে কিছু নেই। শুধু এর রূপের পরিবর্তন ঘটে। পত্রমঞ্জরিকে নাড়া দেয় যে হাওয়া, যে বাতাসের শ্বাস, সেই নিঃশ্বাসের মতো আমার জীবনের সঙ্গে এই অভ্যর্থনার স্মৃতি জড়িয়ে থাকবে। আমি তা কোনোদিনও ভুলতে পারবো না। আমি কি কবি? জানি না। যতক্ষণ না আমি এই অনুভূতির কথা লিখতে পারছি ততক্ষণ আমি স্থির থাকতে পারবো না। আমি এই অনুভূতি শুধু হৃদয়ে বয়ে বেড়াতে চাই না। প্রকাশও করতে চাই। অক্ষরের মায়াজালে একে ধরতে চাই। যখন লিখবো তখন নীরবতা শব্দে শব্দে মুখর হবে। আমার জন্য এই রিসেপশন সেরকমই একটা অভিজ্ঞতা।

প্রশ্ন : বইমেলায় কবি-সাহিত্যিকদের সঙ্গে কথা বলে কেমন লেগেছে তোমার?

উত্তর : লেখকের মুখের হাসি, উৎসাহ, উদ্দীপনা তার নিজের লেখা বইটি তার নিজের হাতে, এসব অনেক বছর দেখা হয়নি এমন করে। ভিন্ন দেশ ও জাতির সংস্কৃতির ধারাও ভিন্ন। ভাষার জন্য তোমরা সংগ্রাম করেছ। স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছ। তিরিশ লাখ মানুষ শহীদ হয়েছে। ভাবতেই কেমন এক পবিত্র অনুভূতি জাগে। ভাষাকে পেয়ে তোমাদের সেই ক্ষতের উপশম হয়েছে। আমাদের সেরকম ইতিহাস নেই। মাতৃভাষার জন্য তোমাদের যে ভালোবাসা, সাহস আর গর্ব- এজন্য আমিও গর্বিত।

আমার তো মনে হয় আমি বাংলাদেশের লেখক আর কবিদের সঙ্গে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আড্ডা ও আলোচনায় কাটিয়ে দিতে পারবো।

প্রশ্ন : আমাদের বইমেলা কেমন লেগেছে?

উত্তর : খোলা আকাশের নীচে তোমাদের এই বইমেলা আমার জন্য এক অনন্য অভিজ্ঞতা। সব দেশে এরকমই হওয়া প্রয়োজন। শব্দ তো আকাশ থেকেই আমাদের আত্মায় এসে পড়ে, এভাবেই তো আমরা শব্দকে পাই। সৃষ্টির ব্যাপারটা আধ্যাত্মিক, নীরবতার গভীর অনুভব। ওপর থেকে এই শক্তি এসে আমাদের অন্তর্গত স্বরের সঙ্গে মিশে যায়। আমরা এভাবেই সেগুলোকে গ্রহণ করি। নিরন্তর বার্তা আসে আর গভীরে পৌঁছায়। দেখলাম বইমেলায় মানুষ মানুষের সঙ্গে দেখা করতে যায়। এরকমই তো হওয়া উচিত। বইমেলা নিয়ে তোমাদের মনে উৎসবের এই আনন্দ আমিও উপভোগ করেছি প্রাণভরে। ভাষা হচ্ছে তা-ই, যার সূত্রে আমরা নিজেদের আর অন্যদের সঙ্গে পরিচিত হই। তোমাদের বইমেলায় তো নয় যেন স্বর্গ-ভ্রমণে ছিলাম। তোমার সঙ্গে, প্রফেসর মাসুদের সঙ্গে বিভিন্ন স্টলে গিয়েছি, ঘুরে ঘুরে দেখেছি, কবি-সাহিত্যিক, প্রকাশকদের সঙ্গে কথা বলেছি। কী যে আনন্দ কুড়িয়েছি তা বলে বোঝাতে পারবো না।

প্রশ্ন : তোমার কবিতার বাংলা অনুবাদ হলো। কেমন অনুভব করছ?

উত্তর : আমি আসলে কখনো ভাবিইনি যে আমার কবিতার বাংলা অনুবাদ হবে। বই বেরুবে। কবিতার ব্যাপারে আমি আগে থেকে যেমন ভাবি না কিছু, লালন করি না। কিন্তু যখন কবিতা এসে ধরা দেয় তখন লিখতে থাকি- ব্যাপারটা এরকমই ঘটেছে। কোনো কিছুর সৃষ্টি যখন হয় তখন তা বিশুদ্ধ সুন্দরের প্রতি ভালোবাসা থেকেই ঘটে থাকে। তাই যখন তা ঘটতে থাকলো, অর্থাৎ প্রফেসর মাসুদুজ্জামান নেটে তোমার সঙ্গে আমার পরিচয় করিয়ে দিলেন আর তুমি আমার কবিতা অনুবাদ করতে শুরু করলে, আমি তা অনুভব করতে শুরু করলাম। যে বাংলাদেশে কোনোদিন যাইনি, সেই বাংলাদেশকে, বাংলা ভাষাকে ভালোবেসে ফেললাম। সেই অনুভূতিটা খুব আপন হয়ে গেছে এখন আমার।

প্রশ্ন : আমাদের ভাষা সংস্কৃতির অভিজ্ঞতা নিয়ে দেশে ফিরে যাচ্ছ। এ অভিজ্ঞতা কীভাবে ব্যাখ্যা করবে?

উত্তর : ভাষা, খাবার, পোশাক, গহনা, গান- তোমাদের সংস্কৃতি খুবই সমৃদ্ধ। আমি তো খুবই তৃপ্ত আর মুগ্ধ। তোমরা অকৃত্রিম আর পূর্ণ। তোমরা হাত দিয়ে খাও অর্থাৎ সরাসরি খাবার খাওয়া, প্রকৃতির সঙ্গে তোমাদের এই যে সংযোগ, স্পর্শ করা, তা আমাকে সুন্দর একটা ভাবনা ভাবতে শিখিয়েছে। আমার জন্য এও একটা কবিতা। আমাদের দেশে এরকম না হলেও বিষয়টা আমার কাছে ভালো লেগেছে। শাড়ি পরে হাঁটার সময় মনে হয়েছিল আমি প্রকৃতিকেই পরিধান করে যেন বিশ্বব্রহ্মান্ডে ঘুরে বেড়াচ্ছি। আর মেলা চত্বরে কবিতা আর গানের সঙ্গে যখন পায়চারি করছিলাম, মনে হচ্ছিল একটা বাগানে হাঁটছি। চারিদিকে বইফুলের সৌরভ! আহ! সেই আনন্দ বলে বোঝাতে পারবো না তোমাকে।

প্রশ্ন : তীরন্দাজের ‘গ্লোবাল লিটার‌্যারি ভিলেজ’-এর যে ধারণা, তোমার কি মনে হয় তা গড়ে তোলা সম্ভব? কানেকশন খুঁজে পেলে কোনো?

উত্তর : এটা তো শুরু হয়েই গেছে। প্রত্যেক কবির এই স্বপ্নকে ছুঁতে পারাটা একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। বাংলাদেশে আসার আগে আমি অস্ট্রিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জনাব আবু জাফর আর তাঁর স্ত্রী সালমা আহমেদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম। তাঁরা এবং স্লোভেনিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ইগর হানেজ জাজেক আমাদের দীর্ঘমেয়াদী এই সাংস্কৃতিক যোগাযোগকে উৎসাহিত করেছেন। স্লোভেনিয়ার রাইটার্স এসোসিয়েশনের সঙ্গেও ইতিমধ্যেই কথা বলেছি। আমাদের দুই দেশের সাহিত্য অনুবাদের মধ্য দিয়ে সম্পর্ক গভীর হবে। কবিতার স্বর আমরা পৌঁছে দেব একে অন্যকে এবং তা ইতিহাসে রয়ে যাবে। অনেক কাজ করতে হবে আমাদের। শুধু আমরাই নই, অর্থাৎ অন্যান্য দেশকেও কবিতার মাধ্যমে আমরা যুক্ত করে গ্লোবাল লিটারারি ভিলেজের আওতায় নিয়ে আসবো।

প্রশ্ন : বাংলা একাডেমির মহাপরিচালকের সঙ্গে দেখা করেছ। কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে?

উত্তর : বাংলাদেশ আর স্লোভেনিয়ার মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী সাহিত্যকর্ম বিস্তারের লক্ষ্যে প্রস্তাবনা আর পদক্ষেপ নিয়ে কথা হয়েছে। শুধু সাহিত্যই নয় সাংস্কৃতিক যোগাযোগ ও বন্ধনের ব্যাপারেও কথা হয়েছে।

প্রশ্ন : তোমার কাছে আমার অনুবাদের কাজ সম্পর্কে জানতে চাই। তুমি বাংলা জান না, তবু অনুবাদ কেমন হতে পারে মনে করো?

উত্তর : শব্দের রঙ আর সঙ্গীত কবিতায় প্রকাশিত হয়। একই সঙ্গে ছবিও আঁকা হয় কবিতার মাধ্যমে। সব মিলিয়ে কবিতা হলো কসমিক ব্যাপার, অর্থাৎ একধরনের মহাবিশ্বতত্ত্ব। অনুবাদের মাধ্যমে এটা আরও দেশকালের সীমা ছাড়িয়ে বৈশ্বিক হয়ে ওঠে। বিনির্মাণের মাধ্যমে অন্য ভাষায় ধরা দেয় সেই শিল্প। আমাদের সত্তা আর দেহের সঙ্গে বিশ্ব এসে যুক্ত হয়। এটা উঁচু পর্যায়ের একটা সম্মিলন, সময় যেখানে এসে থেমে যায়। আমি বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই, প্রফেসর মাসুদুজ্জামানও বলেছেন তুমি অনেক ভালো অনুবাদ করেছ। তোমার কণ্ঠে যখন আমি আমার কবিতাগুলো বাংলায় শুনেছি আমি তা অনুভব করতে পেরেছি। আমি তোমার কাছে কৃতজ্ঞ।

প্রশ্ন : তোমাদের দেশের কবিতার বর্তমান ধারা সম্পর্কে জানতে চাই। স্লোভেনীয় কবিতার অতীত, বর্তমান আর ভবিষ্যৎ সম্পর্কে বলবে?

উত্তর : আমাদের ছোট্ট একটা দেশ স্লোভেনিয়া, কিন্তু অনেক কবি আমাদের। তোমাদের দেশকে বলা হয় নদীর দেশ। আমাদের দেশকে বলা হয় কবিতা আর মদের দেশ। অনেক রকমের কবিতা। তাই কবিতার স্বরটা আমাদের দেশে অনেক শক্তিশালী আর সমৃদ্ধ। নব্বই আর এর পরের দশকে কবিতার এই উত্থান ঘটেছে স্লোভেনিয়ায়। নতুনরা নতুন পথে হাঁটছে কিন্তু তাতে অধ্যাত্মবাদের ছোঁয়া কম। পুঁজিবাদই এজন্য দায়ী। কবিতায় নৈরাশ্য ঢুকে গেছে। নতুনরা রাজনৈতিক শোষণের কথা তুলে ধরছে আগের চেয়ে বেশি। গদ্য কবিতা লিখছে তারা। পুরোনোরা ছন্দের ধারাটাকে ধরে রাখার চেষ্টায় আছে।

প্রশ্ন : এরপর আবার বাংলাদেশে আসার ইচ্ছে আছে? আসো যদি কখন আসবে?

উত্তর : অবশ্যই আসবো এবং তুমিও তৈরি থাকো, হতে পারে পরের বইমেলাতেই আমি বাংলাদেশে আসছি।

  • নজরুলের ‘বিদ্রোহী’

    মঈনউদ্দিন মুনশী

    newsimage

    ‘বিদ্রোহী’ নজরুল ইসলামের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবিতা। ‘বিদ্রোহী’ যখন প্রথম প্রকাশিত হয়, তখন

  • বিশ্বসাহিত্যের সাম্প্রতিক প্রবণতা

    ইকোক্রিটিসিজম ও ইকোফিকশন

    মাহফুজ আল-হোসেন

    newsimage

    ইকোলজি বিষয়টি মানুষের পরিবেশ সচেতনতার মধ্য দিয়ে একটি শাস্ত্রে রূপান্তরিত হয়েছে ঊনবিংশ

  • হেনরি জেমস

    দুঃসাধ্যের স্থপতি

    কামরুল ইসলাম

    newsimage

    আমেরিকায় জন্মগ্রহণকারী ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক হেনরি জেমস (১৮৪৩-১৯১৬) তাঁর বেশ কিছু লেখার মধ্য

  • ওসামা অ্যালোমারের অণুগল্প

    অনুবাদ: ফজল হাসান

    newsimage

    লাথি দু’জন প্রশ্নকর্তা কয়েদীকে কক্ষের এক কোণে জবুথবু অবস্থায় ফেলে যায়। কয়েদীর ক্ষত

  • আমার আছে বই ৮

    মালেকা পারভীন

    newsimage

    গতবার ইরানি কুর্দিশ লেখক বেহরুজ বুচানি সম্পর্কে লিখেছিলাম। অনেকেই বুচানি বা তাঁর

  • অসম্পূর্ণ গল্প (পর্ব ৪)

    মুজতাবা শফিক

    newsimage

    (পূর্ব প্রকাশের পর) সপ্তম অধ্যয় মুমিনের ক্লাস ফাইভের বৃত্তি পরীক্ষার সময়, আব্দুল হক সাহেব

  • নির্মম যম

    অনুবাদ : শামসুজ্জামান হীরা

    newsimage

    আমি এক দন্ডপ্রাপ্ত ভবঘুরে আত্মা। এক অস্থির আত্মা। এখানে সেখানে অনবরত ঘুরে

  • কামরুল হাসানের কবিতা

    newsimage

    উনিশ বছর একটি পাখির আর কতটুকু বয়স? উনিশ বছর অনাঘ্রাত রোম নিয়ে বসন্তের বাগানে

  • পথচারী

    রে ব্র্যাডবেরি

    newsimage

    নভেম্বরের রাত আটটায় কুয়াশা ঢাকা শহরের নীরবতায় ডুব দেওয়া, কংক্রিটে মোড়া ফুটপাথে

  • চয়ন শায়েরীর কবিতা

    newsimage

    স্কিজোফ্রেনিয়া : দুই একটা হাত হ্যাঁচকা টানে মগজ বের করে আনে গাছ গজিয়ে ওঠে

  • এ সংখ্যার কবিতা

    হৃদযন্ত্র নভেরা হোসেন তোমার ঘরের পাশেই আরেকটি ঘর তার পাশে আরেকটি তার