menu

মহাদেশের মতো এক দেশে ২

কামরুল হাসান

  • ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১০ জানুয়ারী ২০১৯
image

ব্রিজবেন নদী

অস্ট্রেলিয়া পৃথিবীর সাতটি মহাদেশের মাঝে সবচেয়ে ছোট, সবচেয়ে নবীন। তবু মহাদেশ বলে কথা, এর আয়তন ৭৭ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার। সমদ্রপৃষ্ঠ হতে অনেকটা উঁচু মহাদেশটির পিঠটি মূলত সমতল, যদিও বরফাবৃত পর্বতসারি থেকে শুরু করে ট্রপিকাল রেইনফরেস্ট-প্রকৃতিরপ্রায় সকল বৈচিত্র্যধারণ করে আছে মহাদেশটি। এর বিপুল অংশ জুড়ে রয়েছে শুষ্ক বালুর মরুভূমি, যা অমিত সম্ভাবনার দেশটির প্রাণধারণের অফুরন্ত সক্ষমতাকে সঙ্কুচিত করে ফেলেছে। এই মরুভূমির নাম গ্রেট ভিক্টোরিযা ডেজার্ট। অতবড় ভূখন্ডটির লোকসংখ্যা শুনলে অবাক হতে হয়, মাত্র ২.২ কোটি, অর্থাৎ ঢাকা শহরের জনসংখ্যার চেয়ে কিছুটা বেশি। এই পরিসংখ্যান থেকে আমাদের জনসংখ্যার ঘনত্ব আর অস্ট্রেলিয়ার জনবিরলতার বিপরীত চিত্রটি ফুটে ওঠে প্রবলভাবে। এই জনগোষ্ঠির বাস মূলত সমদ্রতীর ঘিরে গড়ে ওঠা বৃহৎ নগরসমূহে। তবে প্রায় প্রত্যেকেই বাস করে সমদ্রতীরবর্তী সবুজ বেষ্টনীর ভেতর, যেখানে জলবায়ু মনুষ্য বসবাসের উপযোগী, প্রান্তর আবাদযোগ্য, যেখানে বৃষ্টি হয়, আর মাটিতে জন্মায় উদ্ভিদ। এই সুন্দর মহাদেশটি দেখতে এই প্রথমবারের মতো ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের কে-৩৭ ব্যাচের একদল চিকিৎসক তাদের পরিবার-পরিজনসহ অস্ট্রেলিয়া আসছেন। ব্রিসবেনের হোটেল হিলটন ও কে-৩৭-এর অস্ট্রেলীয় চাপ্টার তাদের আগমন অপেক্ষায়।

কাউকে না পেয়ে আমি সিটি সেন্টারের দিকে হেঁটে যাই। আজ রোববার, ছুটির দিন। সিটি সেন্টার ভরে আছে ‘প্রমোদে ঢালিয়া দিনু মন’-এর লোকেরা, তার ভেতরে যেমন ট্যুরিস্ট আছে, তেমনি আছে এই শহরের নাগরিকরা। সবদিক জৌলুসপূর্ণ, সবদিক সুশোভিত। অর্ধনগ্নিকাদের উদ্ভাসে ক্যামেরার চোখ মোহিত। স্থাপত্যের সৌন্দর্যকে অনুপম করে তুলছে সূর্যের আলোকরশ্মি, শুভ্রবর্ণের মানুষদের সচ্ছল ভিড় পেভমেন্টকে ভরে দিচ্ছে সভ্যতার দ্যুতিময়তায়। ঈশ্বর সুন্দর, প্রকৃতি সুন্দর, সভ্যতা সুন্দর, মানুষ সুন্দর। চারপাশের সেই সুন্দরের মায়াঅঞ্জন চোখে মেখে আমি যাই ব্রিসবেন নদী বরাবর। ভিক্টোরিয়া ব্রিজে যাবার আগে কিছু প্রাচীন দালান পড়ে, এর একটি ব্রিসবেন সিটি কাউন্সিল। সেখানে এক বৃদ্ধ দম্পতির সাথে দেখা, তারা এই ব্রিসবেনেই থাকেন। আমি কোথায় কোথায় বেড়াবো শুনে বল্লেন, ‘Probably you will see more places than what we have seen.’

ভিক্টোরিয়া ব্রিজের উপর একটি ভারতীয় চেহারার পরিবারকে বিপরীত দিক থেকে ক্রস করার সময় জিজ্ঞেস করি, ‘Are you from India?’ অগ্রবর্তিনী নারী, যাকে প্রশ্নটি করেছিলাম, সে কোন উত্তর দিল না। উত্তর দিল তার পেছনে, কাঁধে এক শিশুকে চড়িয়ে হাঁটা, প্রশস্ত বুকের অনেকটা চ্যাপ্টা পুরুষটি। ভারত নয়, তাদের দেশ ফিজি। পূর্বপুরুষ কবে ভারতবর্ষ থেকে সমুদ্র চিরে পাড়ি জমিয়েছিল দূর দ্বীপদেশে, তারা হয়তো ভুলে গেছে; তবে অবয়বে আজো সে ছাপ তারা বহন করে চলেছে। ভিক্টোরিয়া ব্রিজের উপর প্রবল হাওয়া বইছিল, মনে হচ্ছিলো উড়িয়ে নিয়ে যাবে, যে ক্ষুদ্র কাগজে নোট নিচ্ছিলাম, তা শক্ত হাতে ধরে রাখি, কেননা শীতের শুকনো পত্রালীর মতো উড়ে যেতে চায় কাগজের টুকরোগুলো।

অপরপারে যেখানে বিস্ময়চাকা ওয়ান্ডারহুইল রয়েছে, সেখানে পুরনো সেতুটির যা ১৮৯৭ সালে লোহা ও পাথর দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল, তার স্মৃতিচিহ্নবাহী একটি স্তম্ভ আজো অক্ষত রাখা হয়েছে, উপরে ছাদ দিয়ে ঢাকা, যেন এক মনুমেন্ট। প্রথম সেতুটি ছিল কাঠের, সেটি নির্মিত হয়েছিল ১৮৬৫ সালে। এ সেই বছর যে বছর ব্রিসবেনে মর্টন বে কনভিক্টদের কলোনি নির্মিত হয়। সেতু নির্মাণের আগে নৌকাই ছিলো নদী পারাপারের একমাত্র উপায়। দুঃখজনক নির্মাণের মাত্র দু’বছরের ভেতর সেতুটি ধসে পড়ে সেতুর কাঠ পোকায় খাওয়ার ফলে। অতিক্ষুদ্র পোকাদের কোটি কোটি সূক্ষ্ম অথচ অব্যর্থ ধারালো দাঁতের নিচে আত্মাহুতি দিতে হয়েছিল মানুষের অতিকায় গৌরবময় নির্মাণকে। এরপরে আর কাঠ নয়, সেতু নির্মাণ করা হয় ইস্পাত দিয়ে। সেটা ১৮৭৪ সাল। এর প্রায় কুড়ি বছর পরে, ১৮৯৩ সালে ব্রিসবেন নদীতে ভয়ঙ্কর বন্যায় ব্রিজটি কেবল তলিয়েই যায়নি, পানির প্রচন্ড চাপে তা ভেঙে যায়। সে বছর ৫০০ মি. মি. বৃষ্টি হয়েছিল, টানা ৮ দিন ধরে বৃষ্টি পড়েছিল, নদীর উচ্চতা তার স্বাভাবিক লেভেল থেকে ৭ মিটার উঁচু হয়েছিল। ১৮৯৩ সালে আরেকটি মারাত্মক ঘটনাও ঘটে, এর নাম Pearl Ferry Disaster। বন্যার তোড়ে ঐ নামের ফেরিটি, যা ছিলো ব্রিসবেনের সম্পদ ও নদী পারাপারের অন্যতম ভরসা, তা একটি জাহাজের গায়ে আঘাত করে দ্বিখন্ডিত হয়ে ডুবে যায়। এতে ২৩ জন যাত্রী পানিতে ডুবে মারা যায়। ১৮৯৭ সালে ব্রিজটি পুনর্বার নির্মাণ করা হয় লোহা ও পাথর দিয়ে, যার চিহ্নবাহী ঐ স্মৃতিস্তম্ভ। এবার কেবল পথচারি পারাপার নয়, যুক্ত করা হয়, রেললাইন, কেননা ততদিনে রেল এসে গেছে ব্রিসবেনে। ব্রিসবেন নদীতে ফেরিতে চড়ে বেড়ানোর সুপ্ত ইচ্ছাটিকে আজ ডানা মেলে উড়তে দেই। সবাই যখন রেস্তরাঁয়, আমি একা নদীতীরে ফেরি খুঁজে ফিরি।

ব্রিসবেন নদীতীরে পৌঁছানোর আগে আমি সিটি সেন্টারে একটি ইকোনোমিক ফুড কোর্ট খুঁজি। আমার উদ্দেশ্য সস্তায় ভালো কিছু খাওয়া। তখনই পেয়ে যাই Hungry Jack নামের ফাস্ট ফুড চেইনটি। পরে শুনেছি এটি বার্গার কিং চেইনের অস্ট্রেলীয় সংস্করণ। তা ওরা মুরগির মাংসই বেচে, ক্রেতারা যে ক্ষুধার্ত শেয়ালÑ তা না বললেও চলে। দেখি সাড়ে পাঁচ অস্ট্রেলীয় ডলারে পাঁচ প্রকার খাবারের এক কম্বো। বিল মিটিয়ে খাবারের ট্রে হাতে নিয়ে দোতালায় উঠে যাই আয়েস করে পুরো সাড়ে পাঁচ ডলারের তৃপ্তি উপভোগ করতে। হোক না ফাস্ট ফুড, আমি খাবো স্লোলি। আমার পাশে দুই শ্বেতাঙ্গিনী বসে খাচ্ছে আর গল্প করছে। আলাপ করে জানতে পারি ওরা জার্মানি থেকে বেড়াতে এসেছে। কেমন লাগছে অস্ট্রেলিয়া, আমার এ প্রশ্নের উত্তরে ওদের অভিব্যক্তিটি হয় নিরপেক্ষ (indifferent); অর্থাৎ মন্দ নয়, আবার নেচে ওঠার মতোও নয়। আমার বোকা প্রশ্ন, তোমাদের কি এ দেশে এসে থাকতে সাধ হয়, এর উত্তরে ওদের যুগপৎ উত্তর, ‘না, মোটেই নয়।’ ওরা না হয় উন্নত দেশ থেকে এসেছে, এই আমি যে একটি অনুন্নত দেশ থেকে এসেছি, আমারই কী স্থায়ীভাবে থেকে যেতে ইচ্ছে হয়? মাতৃভূমি বড় মায়াময় এক ভূখন্ড! আমি অবশ্য চাইলেও থাকতে পারবো না, ওরা চাইলে পারবে। ওদের গায়ের রঙই ভিসা।

হাংরি জ্যাক থেকে স্যাটিসফায়েড জ্যাক হয়ে বেরিয়ে আসি। গুহার ভেতরে মুরগি সাবার চলছিলো জোরেশোরেই। চারিপাশে ধুন্ধুমারের উৎসব, মানুষের প্রাণময় হাঁটচলা, মনোলোভা স্থাপত্যের গায়ে সমৃদ্ধির ঝিলিক। ছবি তুলতে থাকি অবিরত। আমি তুলি বলে বেশিরভাগ ছবিতেই নিজে থেকে যাই অনুপস্থিত। সিটি কাউন্সিল ভবনটির সমুখে এক যুবককে অনুরোধ করি আমার কয়েকটি ছবি তুলে দিতে। প্রেমিকাকে নিয়ে বেড়াতে আসা যুবকটি বেশ লাজুক প্রকৃতির। তার ভাবভঙ্গি দেখে মনে হয় সে কোন রমণীর ছবি তুলছে, তাও লুকিয়ে। তার প্রেমিকা কৌতূহল নিয়ে যুবকটির কা- দেখতে থাকে, আর আমি দেখি ক্যামেরা নিয়ে তার আনাড়িপনা, ছবিও ওঠে অদ্ভুত।

এর মাঝে একপশলা বৃষ্টি হয়ে গেল। প্রখর রৌদ্রে পেভমেন্টগুলো শুকিয়েও গেল দ্রুত, এখানে সবই পাথরে মোড়ানো, সুতরাং কর্দমাক্ত হবার কোন সুযোগ নেই, আর ব্রিসবেনে নেই কোন ধূলি। সাউথ ব্যাংক তো আমার চেনা। ভিক্টোরিয়া ব্রিজ থেকে নেমে ব্রিসবেন আর্ট গ্যালারির বিশাল ভবনটির সমুখে, যেখানে ওয়ান্ডার হুইলটি স্থাপিত, একটি ফেরি ঘাটি কিছু মানুষকে সমবেত হতে দেখে এগুই। সেটি ১ নম্বর ফেরিঘাট। অপেক্ষমাণ মানুষদের একজনের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি, তারা একটি পার্টিতে যোগ দিতে ঐ ঘাটে সমবেত হয়েছে, ফেরিতে চড়ার কোন পরিকল্পনাই তাদের নেই। তখন খেয়াল করে দেখি তাদের পরিধানে পার্টি ড্রেস, সুবেশী রমণীগণ ছোট ফুলতোলা জাপানী ছাতা মেলে আছেন তাদের সুবিন্যস্ত কেশরাশির উপর। তাদের ভাবভঙ্গি অনেকটা জাপানী পুতুলের মতোই। এখানে দু’ধরনের ফেরি আছেÑ ফ্রী এবং পেইড। স্বভাবতই আমি ফ্রী ফেরিটি নিতে আগ্রহী। কোন ঘাটে পাবো তার দেখা? নদীতীরে বাঁধানো পেভমেন্ট ধরে হাঁটতে হাঁটতে কয়েকজনকে প্রশ্নটা ছুঁড়ে দেই। তাদের মিলিত উত্তরে নিঃসংশয় হই, আমাকে তিন নম্বর ঘাটে পৌঁছাতে হবে। একজন বলেছিল ৫টায় একটি ফেরি আসবে তিন নম্বর ঘাটে। ঘড়িতে তখন ৪:৫০, সুতরাং আমি ছুট লাগাই। পরে হাঁপাতে হাঁপাতে ফেরি ঘাটে এসে দেখি তখনো ফেরি আসেনি।

ফেরিঘাটে এক ভদ্রলোকের সাথে আলাপ হলো। তিনি বেশ দীর্ঘকায়, তবে তার স্ত্রী দীর্ঘকায়া নন, পাশাপাশি দু’জনকে বেমানানই লাগে। তাদের ফুটফুটে ছেলেটি ছুটোছুুটি করছে। এরপর আলাপ হলো দুই যুবকের সাথে। এদের একজন, নাম মারভেন, জার্মানি থেকে ব্রিসবেনে ম্যানেজমেন্টের উপর শর্ট কোর্স করতে এসেছে। আমি ম্যানেজমেন্ট পড়াই শুনে সে বেশ উৎসাহী হলো। তার খুব পছন্দ অস্ট্রলিয়া দেশটি। বল্ল, ‘If I could live here’। ওর আকাক্সক্ষা ফাস্ট ফুডের দোকানটিতে দেখা হওয়া তারই স্বদেশী জার্মান মেয়ে দুটির বিপরীত। মারভেনের বন্ধু, অন্য যুবক, নিকোলাস হলো ফ্রান্সের নাগরিক। তার চেহারায় মঙ্গোলীয় ছাপ। সে এদেশে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ে পড়াশোনা করছে। ফেরিতে উঠে ওরা দোতালায় চলে যায়, আমি সেঁধোই নিচতলায়, সেখানে বৃষ্টি ও হাওয়ার ঝাপটা নেই। ক্ষণিক পরে, আকাশ রৌদ্রকরোজ্জ্বল হয়ে উঠলে আমি ফেরির দোতালায় চলে যাই। দেখি নিকোলাস পেছনে একাকী চুপচাপ বসে আছে আর বাকপটু মারভেন দুজন যুবতীর সাথে চুটিয়ে আড্ডা দিচ্ছে সমুখের দিকটায়। বুঝলাম নিকোলাস লাজুক, মারভেন ময়ে পটাতে পারঙ্গম। মেয়ে দুটির আড়ালে তাকে বলি সে কথা, সে আমাকে মুচকি হাসি উপহার দেয়, অনেকটা গোপনে চোখ টেপার মতো। সমুখে যখন ঐ ফ্লার্ট চলছিল আমার পাশে তখন শান্ত প্রেমের মূর্তি হয়ে বসেছিলো দু’দেশের দু’জন। Jeremy কানাডার ছেলে, আর Yunni দক্ষিণ কোরিয়ার মেয়ে। এক বছর ধরে তারা এদেশে বসবাস করছে, জেরেমি চাকরি খুঁজছে, কেননা সে এদেশে থাকতে চায়। (চলবে)

  • বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর

    নিভৃত ও বিচিত্র

    ওবায়েদ আকাশ

    newsimage

    সাহিত্যের নিত্য পরিবর্তনের উৎসমুখে সরব উপস্থিত হয়ে যিনি সর্বদা নিজেকে বদলে নিতে

  • ইলিয়াসের ‘খোয়াবনামা’

    প্রান্তজনের দস্তাবেজ ও জাদু-বাস্তব কথকতা

    আহাম্মেদ কবীর

    newsimage

    স্বপ্নতাড়িত জনগোষ্ঠীর ধারাবাহিক এবং প্রজন্মান্তর খোয়াব, সংগ্রাম, জীবনাচার, বাসনা, কামনা, বিলাস আর

  • ১৯৭১-এর অপ্রকাশিত ডায়েরি ৫

    জিয়াউল হাসান কিসলু

    newsimage

    (পূর্ব প্রকাশেল পর) ১৯ নভেম্বর, ১৯৭১, শুক্রবার খুব সকালে উঠে চা খেয়ে পিটি

  • পঙ্ক্তিভারে মুখরিত সন্ধ্যা

    newsimage

    রাস্তায় প্রচন্ড জ্যাম। নির্দিষ্ট সময় থেকে প্রায় এক ঘণ্টা পর পৌঁছালাম কবি

  • ধারাবাহিক উপন্যাস ৩

    ‘মৌর্য’

    আবুল কাসেম

    newsimage

    (পূর্ব প্রকাশের পর) দেবরাজ জিউসের কন্যা মিউসের নাম থেকে মিউজিক নামটা এসেছে। তিনি

  • সৈয়দ হকের জলেশ্বরী

    পিয়াস মজিদ

    newsimage

    মার্কেসের যেমন মাকান্দো, দেবেশ রায়ের যেমন তিস্তা, সৈয়দ শামসুল হকের তেমনি জলেশ্বরী।

  • মুহম্মদ সবুরের কবিতা

    newsimage

    শান্তির পতাকা তুষার কিংবা উষ্ণতা- এই প্রবাসে কী বিভ্রমে অনিচ্ছায়; ডুবে যেতে হয় উষ্ণ-শীতল