menu

বিস্মৃত রাজনৈতিক মঞ্চের কথক মহিয়সী জায়নাব আখতার

মোহাম্মদ হারুন-উর-রশিদ

  • ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২০
image

প্রথমেই বলে রাখা প্রয়োজন বইটি সাধারণ অর্থে অব্যাহতভাবে লেখা কোনো স্মৃতিকথা নয়। লেখিকার লেখা ডাইরি থেকে ১৯৭০ পযর্ন্ত যা উদ্ধার করা গিয়েছিলো তা দিয়ে সম্পাদকের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল হিসাবে অসমাপ্ত প্রথম সংস্করণটি প্রকাশিত হয় ২০০৭ সালে। কারণ এর পরবর্তী সময়ে লেখা ডাইরিগুলো তিনি তখনও খুঁজে পান নি। আসলে লেখিকা গভীর রাতে সকলের অলক্ষে ডাইরি লিখতেন একথা তাঁর মেয়ে বইটির সম্পাদক প্রফেসর নিলুফার সুলতানারও জানা ছিলো না। যাহোক, পরবর্তী সময়ে লেখা ডাইরি খুঁজে পেয়ে তাঁর আনন্দের সীমা রইলো না। তিনি বইটিকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে দীর্ঘ এক যুগ পরিশ্রম করে বর্তমান সংস্করণটি প্রকাশ করেছেন ২০২০ সালের মার্চ মাসে। আমার বিশ্বাস বাংলাদেশের রাজনীতির একটি প্রামাণ্য দলিল হিসেবে বইটি চিহ্নিত হবে, এবং পরবর্তী সময়ে ঐতিহাসিকদের প্রাইমারি তথ্যের উৎস হিসাবে ইতিহাস রচনার কাজে সহায়ক হবে।

যে বাড়িটিকে রাজনৈতিক মঞ্চ বলা হচ্ছে, তার প্রাথমিক অবতারণা ঢাকায় নয়, কলকাতায়। ব্রিটিশ ভারত তখনও বিভক্ত হয় নি। ১৯৪৭ সালের ১৯শে জানুয়ারি একটি বিয়ের বারাত যাচ্ছে কনের বাড়ির দিকে। বরকর্তা হচ্ছে হুসেইন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। এক সময়ের অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী নিজে বরের গাড়ি চালাচ্ছেন। পেছনে প্রায় দেড়শ’ গাড়িতে সব মন্ত্রী, আমলা, রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী।

বরের নাম এম এ জলিল, কনে জায়নাব আখতার। জলিল সাহেব রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে সোহরাওয়ার্দী সাহেবের একান্ত ঘনিষ্ঠজন। কনে জায়নাব আখতার ব্রেবোর্ন কলেজ থেকে পড়াশোনা শেষ করেছেন। সোহরাওয়ার্দী সাহেবের মিল্লাত পত্রিকার নিয়মিত লেখক। এ বিয়ের রিপোর্ট কাগজে বের হয়েছিলো। জায়নাব আখতার লেখার সূত্রে মিল্লাত অফিসে যাওয়া আসা করতেন। সেখানেই দুজনের দেখা এবং আলাপ। কিন্তু বিয়েটা হয়েছিলো মুরব্বিদের সম্মতিতে। দেশবিভাগের পর এ দম্পতি ঢাকায় চলে আসেন। ঢাকায় উয়ারী এলাকায় ‘মাশ্চরিক কুটির’ নামে একটি বাড়ি তারা কেনেন এক বিধবা হিন্দু মহিলার কাছ থেকে। জলিল সাহেব এর নতুন নামকরণ করেন STEP-IN সোজা বাংলায় আসুন বা এসো। সত্যিকার অর্থেই এ বাড়িটি ছিলো বন্ধুবান্ধব, আত্মীয় অনাত্মীয় সকলের জন্য উন্মুক্ত।

সম্পাদক এ বইটিকে সাজিয়েছেন তিন ভাগে। প্রথমভাগে স্টেপ-ইন এর মূল্যায়ন যা ১২টি পর্বে বিভক্ত। দ্বিতীয় ভাগে রয়েছে লেখিকা জায়নাব আখতারের আত্মজীবনী এবং তৃতীয় ভাগে জায়নাব আখতারের সাত পুরুষের শাজরা যা কাহিনীর আকারে লিপিবদ্ধ। স্টেপ-ইনই তার ভুলে যাওয়া রাজনৈতিক মঞ্চ। নাটকের প্রলোগের মতো প্রথম দু’একটি পর্ব মঞ্চের পরিবেশ এবং কুশীলবদের পরিচয় করিয়ে দেয়। তারপর বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে নাটকের গতি বা action ধীরে ধীরে ঊর্ধ্বমুখী হয়: ষাটের দশকের আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণজাগরণ, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা। পরিশেষে শেখ মুজিবের কারামুক্তিকে বলা যেতে পারে এর ক্লাইমেক্স। এর পরের ঘটনাবলি নিম্নমুখী হয়ে নিয়ে যায় একে রেজুলেশনের দিকে সম্পাদক যার নাম দিয়েছেন Denouement.

জায়নাব আখতার এ রাজনৈতিক মঞ্চের কথক, যাকে বলা যায় গ্রিক নাটকের একক কোরাস।

এ বাড়িটি একদিকে যেমন ছিলো রাজনৈতিক কর্মীদের নিরাপদ আশ্রয় অন্যদিকে ছিলো সাংস্কৃতিক কর্মাকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু। বাম রাজনীতির সব নেতাকর্মীই এখানে যাতায়াত করতেন। এ ছাড়াও সব রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে জলিল সাহেবের অন্তরঙ্গতা ছিল এবং তারা এ বাড়িটিতে বেড়াতে আসতেন। শেখ সাহেব সপরিবারে বেড়াতে আসতেন, আসতেন তাজউদ্দিন সাহেব, তখনকার দিনে মুখ্যমন্ত্রি খান আতাউর রহমানও একবার সপরিবারে এসেছিলেন। পুলিশের হুলিয়ায় আন্ডারগ্রাউন্ডে গেলে রাতের আঁধারে সবদলের কর্মীরা এখানে আশ্রয় নিতেন। ১৯৫৭ সালের পর ভাসানী যখন ন্যাপ (ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি) করে আলাদা হয়ে গেলেন তখন জলিল সাহেব সকলকে বিস্মিত করে চলে আসলেন মওলানা ভাসানীর দলে। সবাই তাকে সোহরাওয়ারর্দী সাহেবের একান্ত আপনজন বলেই জানতেন।কিন্তু জলিল সাহেব বাম ধারার রাজনীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন। তাই তোয়াহা, মেনন, রনো এদের নিয়ে তিনি ভাসানী সাহেবেরই অনুসারী হলেন।

জায়নাব আখতার নিজে রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। কারণ তার পেশা ছিলো শিক্ষকতা। তিনি সরকারি স্কুলে শিক্ষকতা করতেন এবং কোন সরকারি কর্মী রাজনীতি করতে পারেন না এ কথা তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতেন। কিন্তু স্বামীর রাজনীতির পথে তিনি কখনো বাধা হয়ে দাঁড়ান নি। ববং সকলকেই মায়ের মতো আশ্রয় দিয়েছেন এবং সেটা সব দলের নেতাকর্মীদের জন্য। এ সম্পর্কে তার বক্তব্য: “আমি আত্মজীবনী লিখতে বসিনি। আমার এ বাড়িটিকে ঘিরে বাংলার যে ইতিহাস আবর্তিত হয়েছে, যেটুকু আমি নিজে দেখেছি ও জেনেছি আমার বিশিষ্ট অবস্থান থেকে, সেটুকুর সঠিক বিবরণী ধরে রাখতে চাই ইতিহাস-উৎসুক ভবিষ্যত প্রজন্মের অবগতির জন্য। তাই আমার কাছে প্রিয়অপ্রিয় ভেদাভেদ নাই।”

১৯৬৮-১৯৬৯-এর গণআন্দোলনের সময় মওলানা ভাসানী ঢাকা এলে এ বাড়িতে থাকতেন। এখানেই দেশ-বিদেশের সাংবাদিকরা মওলানার সাথে সাক্ষাৎকার নিতে আসতেন। একবার চিনা রাস্ট্রদূতও মওলানার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন।

আইয়ুব শাহীর পতনের পর জেনারেল ইয়াহিয়া ক্ষমতায় এসে সত্তরের ডিসেম্বরে নির্বাচনের ঘোষণা দিলেন। শেখ মুজিবুর রহমান সব কটি আসনে প্রার্থী দিলেন।

কিন্তু ন্যাপ এ বাড়িতে অনুষ্ঠিত নিখিল পাকিস্তান ন্যাপের সভায় নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নেয়। এর মধ্যে ১৯৭০-এর ঘূর্ণিঝড়ে দশ লক্ষ লোকের প্রাণহানি ঘটলো। মওলানা চরাঞ্চলে পরিদর্শন শেষে ঘোষণা দিলেন যে পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে সর্ম্প্ক শেষ।

এর পরের ঘটনাবলিতে ন্যাপের ভূমিকা বিশেষ উল্লেখযোগ্য নয়। সত্তরের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় যাবে অর্থাৎ শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হবেন এমনটাই আশা করা গিয়েছিলো। কিন্তু এর পর ভুট্টোর ষড়যন্ত্রে কীভাবে নেমে এলো ২৫ মার্চের কালরাত এবং গণহত্যা তা সকলেরই জানা।

ন্যাপের ব্যথর্তাকে তিনি দেখেছেন এর দলে দলে বিভক্ত হয়ে যাবার মাঝে। তারা রুশ-চীন দ্বন্দ্বকে যতটা গুরুত্ব দিযেছেন, নিজের দেশের মানুষের সমস্যাকে ততটা নয়।

বইটিতে ৮ম অধ্যায় থেকে ১২তম অধ্যায় পর্যান্ত ঘটানাবলি অত্যন্ত হৃদয়স্পর্শী। বিশেষ করে ‘মুজিব আমল’ ও ‘স্বরাজফলের স্বাদ’ তখনকার বাস্তবচিত্র।

জায়নাব আখতারের লেখনির ধার ও ভার দুইই সমান তালে চলে। তিনি অত্যন্ত নৈর্ব্যক্তিক দৃষ্টিকোণ থেকে নেতাদের মূল্যায়ন করেছেন।তার কিছু নমুনা তুলে ধরছি।

প্রথমেই মওলানা ভাসানী সম্পর্কে তার বক্তব্য: মওলানা ভাসানী আসামের রাজনীতিতে অসাধারণ সাফল্য লাভ করেন। বাংলাদেশে ১৯৪৯ এর দিকে বিরোধী দলীয় রাজনীতির যখন একজন দক্ষ কাণ্ডারী বা নৌকার মাঝির দরকার তখন তিনিই এগিয়ে এসেছেন। “তিনিই রোজ গার্ডেনের ২৩শে জুন, ১৯৪৯-এর উদ্বোধনী সম্মেলনে পৌরহিত্য করেন এবং সেই ক্ষণ থেকেই আওয়ামী লীগের প্রথম সভাপতির দায়িত্ব পালন করতে থাকেন- শুধু নামে নয়, কর্মেও।... কিছুদিন পরেই মওলানা ভাসানী ইত্তেফাক নামের একটি পত্রিকা প্রকাশের উদ্যোগ নেন। সরকারি ভ্রুকুটি উপেক্ষা করে নিজেই সম্পাদক ও প্রকাশকের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকেন। পরে মানিক মিয়া সম্পাদকের দায়িত্ব নেন। কিন্তু আদি প্রতিষ্ঠাতা বা ইত্তেফাকের জন্মদাতা মওলানা ভাসানী।”

বেগম মুজিব তাঁর আত্মীয়, তাঁকে বেগম মুজিব বুজি বলে সম্বোধন করতেন। তিনিও তাকে তার ডাকনাম রেনু বলে সম্বোধন করতেন। ১৯৭৩ সালে ১৮ই মার্চ তাঁর একমাত্র মেয়ের বিয়ে। তিনি কার্ড দিয়ে নিমন্ত্রণ করতে গেছেন। মুজিব দম্পতি তাঁকে দেখে সাদরে অভ্যর্থনা জানালেন। অনেকক্ষণ গল্প করে বাড়ি ফিরে এলেন। ঐদিনের লেখা ডাইরিতে তিনি বেগম মুজিব সম্পর্কে যে অসাধারণ মূল্যায়ন করলেন তা অবাক করার মতো। তিনি লিখলেন, “যে জিনিসটা আমাকে অভিভূত করলো তা হচ্ছে রেণুর দূরদর্শিতা, তার মোহমুক্ত দৃষ্টিভঙ্গি। সে যে রেণু সেই রেণুই আছে। এত যে মাতামাতি তার স্বামী, তার পরিবার, তাকে ঘিরে- তাতে তার মাথা একটুও ঘুরে নাই। সে একদম স্থির, ঠাণ্ডা মাথা। সেই কবে যুগ যুগ আগে প্রথম ইলেকশনের সময় টাকা দিয়েছিলাম আমি ভুলে গেছি কিন্তু রেণু ভুলে নাই, আশ্চর্য।”

বঙ্গবন্ধুর সাংগঠনিক ক্ষমতা সম্পর্কে তাঁর ধারণা আকাশচুম্বী হলেও তাঁর দুর্বালতার কথাও উল্লেখ করতে দ্বিধা করেন নি। একাত্তরে পাকবাহিনীর হাতে তার ধরা দেওয়া ঠিক হয় নি একথা তিনি দ্বিধাহীন চিত্তে বলেছেন। অন্যান্য যে কারণগুলো তিনি উল্লেখ করেছেন তা বইটির ৩৮৯ পৃষ্ঠায় পাঠক দেখতে পারেন।

জনাব এম এ জলিল ১৯৯০ সালের ১১ই মার্চ মীরপুর মাজারে যান, ১২ই মার্চ ফিরে আসেন লাশ হয়ে। লেখিকা জায়নাব আখতার এর পর কয়েক বছর বেঁচে ছিলেন। ১৯৯৫ সালের জুলাই মাসে কান্সারে আক্রান্ত হয়ে নিজ বাড়িতেই লোকান্তরিত হন।

জায়নাব আখতারের ভাষা ডাইরির ভাষা হলেও তা প্রাঞ্জল, প্রাণবন্ত এবং সুস্থিত। এর কৃতিত্ব অবশ্য অনেকখানি বইটির সম্পাদক প্রফেসর নিলুফার সুলতানার।আসলে তার পান্ডিত্য,গবেষণা পদ্ধতি, এবং ধয্র্ ও নিরলস শ্রম বইটিকে করে তুলেছে একটি অতুলনীয় গ্রন্থ। পাঠক বিমুগ্ধ চিত্তে এর অনেক কিছুই মনে রাখবেন। কিছু কিছু টুকরো ঘটনা এবং কুশীলবদের কথা ভোলা যায় না। সুলতানের মা, নিভা (মাহবুবা রহমান) সিজার (এলসেসিয়ান কুকুর), মান্নান ভুইয়ার (বিএনপি সময়ে মন্ত্রী) বিয়ে, বোহরাদের ভাড়াটে হিসাবে অবস্থান ও তাদের নিরহঙ্কার সহজ সরল জীবনযাত্রা ইত্যাদি প্রসঙ্গ অবশ্যই মনে রাখার মতো।

বইতে যে সব পরিশিষ্ট যুক্ত হয়েছে তার ঐতিহাসিক মূল্য অপরিসীম। ১৯৫২ সাল থেকে একাত্তর পর্যন্ত বাংলাদেশের ইতিহাস লিখতে গেলে এ বইটির কোনো বিকল্প নেই।

বইটির নামকরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। মঞ্চের আবার আত্মকথন কী? রূপকার্থে এক সুখী দম্পতির বাড়িটিকে মঞ্চ বলা হয়েছে। এর কর্মকাণ্ডই একে মঞ্চের মহত্ত্ব দিযেছে। তবে বাড়িটির দেহ যদি হন জনাব এম এ জলিল তবে এর আত্মা হচ্ছেন মহিয়সী জায়নাব আখতার। তিনি ঘটনাবলি প্রত্যক্ষ করেছেন এবং সকলের অলক্ষ্যে তার ধারা বিবরণী লিখে গেছেন নির্মোহ চিত্তে।

বইটির মুদ্রণ, বাঁধাই, প্রচ্ছদ, এবং অফসেট কাগজে ৬০৮ পৃষ্ঠা সব মিলিয়ে ইদানীংকালে প্রকাশিত শ্রেষ্ঠ দশটি বইয়ের একটি বলে অনায়াসে গণ্য হতে পারে নিলুফার সুলতানা সম্পাদিত STEP-IN ভুলে যাওয়া রাজনৈতিক মঞ্চের আত্মকথন বইটি।

STEP-IN একটি ভুলে যাওয়া রাজনৈতিক মঞ্চের আত্মকথন: জায়নাব আখতার। র্প্ণূাঙ্গ সংস্করণ (১৯৪৮-১৯৯০)। প্রচ্ছদ হলালউদ্দিন আহমেদ। মূল্য ৫০০ টাকা। প্রকাশক নিলুফার সুলতানা। ঢাকা।

  • লুইস গ্লুকের কবিতা

    ব্যক্তি থেকে বিশ্বজনীনতায় রূপায়ন

    অনন্ত মাহফুজ

    newsimage

    পঁচিশ বছর বয়সে লুইস গ্লুকের প্রথম কবিতাগ্রন্থ ফার্স্টবর্ন প্রকাশিত হবার পর কবিতাঙ্গনে

  • বিশেষ সাক্ষাৎকার

    বাক্য নিজেই কথা বলার একটি উপায় খুঁজে নেয়

    সাক্ষাৎকারে লুইস গ্লুক ভূমিকা ও অনুবাদ : ফজল হাসান

    newsimage

    ২০২০ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারের দৌড়ে আন্তর্জাতিক পাঠকমহলে পরিচিত একাধিক কথাসাহিত্যিক এবং

  • লুইস গ্লুকের কবিতা

    ‘তাজা বাতাসে জড়ানো নতুন পৃথিবী’ অনুবাদ : অশোক কর

    newsimage

    গ্রিটেল, অন্ধকারিত্বে এমন পৃথিবীই আমরা চেয়েছিলাম। যারা আমাদের মরে যেতে দেখেছিলো, ওরা এখন মৃত।

  • লুইস গ্লুকের কবিতা : ২

    ‘সেটিই নগর যেখানে আমি হাওয়া হয়ে যাই’ অনুবাদ : মুজিব রাহমান

    বাগান বাগান তোমাকে সমীহ করে। তোমার খাতিরে সে নিজেই মেখে নিয়েছে সবুজ রঞ্জক, গোলাপের লাল

  • শ্রদ্ধাঞ্জলি রশীদ হায়দার

    শরতের মেঘের মতো বিনয়ী ছিলেন যিনি

    আদিত্য নজরুল

    newsimage

    ‘মাত্রা’ গল্পের মাধ্যমেই রশীদ হায়দারের সাথে আমার পরিচয়। আমার আগ্রহ বেড়ে যায়

  • সোনাভানের কাসিদা

    দিলারা মেসবাহ

    newsimage

    ‘অ ব্যাটা - ব্যাটারে। তোর মাওডা মইর‌্যা গেল কেমনে? সোনার মানুষডা

  • টক অব দ্য কান্ট্রি

    পীযূষ কান্তি বড়ুয়া

    newsimage

    কেবলমাত্র একটা তুচ্ছ সন্দেহকে কেন্দ্র করেই তাদের এক দশকের নিশ্চিদ্র দাম্পত্য গেছে