menu

বিশেষ সাক্ষাৎকার

বাক্য নিজেই কথা বলার একটি উপায় খুঁজে নেয়

সাক্ষাৎকারে লুইস গ্লুক ভূমিকা ও অনুবাদ : ফজল হাসান

  • ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২০
image

২০২০ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারের দৌড়ে আন্তর্জাতিক পাঠকমহলে পরিচিত একাধিক কথাসাহিত্যিক এবং কবিকে পেছনে হটিয়ে যিনি আকাক্সিক্ষত শিরোপা লাভ করেছেন, তিনি আমেরিকান কবি এবং প্রাবন্ধিক লুইস গ্লুক। নোবেল কমিটি তাঁকে নির্বাচিত করার পর জানিয়েছে, কাব্যিক অভিব্যক্তির সঙ্গে সাবলীল সৌন্দর্যবোধের মিশেলে ব্যক্তিসত্তাকে সর্বজনীন করে তুলেছে তাঁর লেখনী। উল্লেখ্য, তিনি পেশায় ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক।

কবি হিসেবে লুইস গ্লুক অকপট এবং আপসহীন। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ফার্স্টবর্ন’ ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত হয়। তারপর অল্প সময়ের মধ্যে তিনি মার্কিন সাহিত্য ভুবনে নিজের আলাদা পরিচয় তৈরি করতে সক্ষম হন। এখন পর্যন্ত তাঁর বারোটি কাব্যগ্রন্থ ও বেশ কয়েকটি প্রবন্ধের বই প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে ‘ওয়াইল্ড আইরিস’, ‘অ্যাভার্নো’ এবং ‘ফেইথফুল অ্যান্ড ভার্চুয়াস নাইট’ তুমুল জনপ্রিয়তা লাভ করেছে এবং পাঠক সমাজে সমাদৃত হয়েছে। বলা হয়, লুইস গ্লুকের সিংহভাগ কবিতা মিথ ও ধ্রুপদী ভাবনা দ্বারা প্রভাবিত। সমালোচকদের মতে এ পর্যন্ত প্রকাশিত তাঁর সাহিত্যকর্মের প্রধান গুণই হচ্ছে সহজিয়া প্রকাশ ও সারল্য, যা পরিশীলিত রুচি এবং বুদ্ধিমত্তার পরিচয় বহন করে। তাঁর কবিতার অন্যতম বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে শৈশব ও পারিবারিক জীবনযাত্রা, সন্তানের সঙ্গে বাবা-মায়ের নিবিড় সম্পর্কের কথা। এসব বিষয় তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা ঘরানার কবি হিসেবে চিহ্নিত করে। ইতোমধ্যে সম্মানিত পুলিৎজার এবং ন্যাশনাল বুক অ্যাওয়ার্ডসহ বেশ কয়েকটি পুরস্কার জমা হয়েছে তাঁর ঝুলিতে। এছাড়া তিনি ন্যাশনাল এনডাউমেন্ট ফর দ্য আর্টস্ এবং গাজেনহেইম ফাউন্ডেশন ফেলোশিপ লাভ করেন।

সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির কয়েক ঘণ্টা পরে লুইস গ্লুক ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এর আলেক্জান্দ্রা অল্টারের সঙ্গে তাঁর পুরস্কারের অনুভূতি, কবিতা এবং বার্ধক্য নিয়ে আলাপ করেন। তাঁর সেই আলাপের সম্পাদিত চুম্বক অংশ পরবর্তীতে ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এ প্রকাশিত হয় ৮ অক্টোবর ২০২০ সালে। বাংলাভাষী পাঠকের জন্য নিচে সেই সাক্ষাৎকার তরজমা করা হলো।

আপনি খবরটা প্রথম কীভাবে পেয়েছেন?

আজ সকাল সোয়া সাতটা নাগাদ আমি একটা ফোন কল পেয়েছি। ঠিক তখনই আমি জেগেছি। একজন ভদ্রলোক, যিনি নিজেকে সুইডিশ একাডেমির সেক্রেটারি হিসেবে পরিচয় দেন, বলেন, ‘আমি আপনাকে ফোন করেছি এ জন্য যে, আপনি নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।’ আমি কি বলেছি, তা মনে করতে পারছি না। তবে কথার মধ্যে খানিকটা সন্দেহ ছিল।

আমার মনে হয় আমি অপ্রস্তুত ছিলাম।

আপনি যখন হৃদয়ঙ্গম করলেন যে ঘটনা সত্যি, তখন আপনার অনুভূতি কেমন ছিল?

আমি সম্পূর্ণ হতবাক হয়েছিলাম। তার কারণ এই যে, তারা একজন সাদা আমেরিকান গীতিকবিকে বেছে নিয়েছে। এটার কোনো অর্থ হয় না। আমার রাস্তায় এখন সাংবাদিকদের ভিড়। লোকজন আমাকে বলতে শুরু করেছে আমি অত্যন্ত বিনয়ী। আমি বিনয়ী নই। কিন্তু আমি ভেবেছি, আমি এমন এক দেশ থেকে এসেছি, যা বর্তমানে সহানুভূতির দৃষ্টিতে দেখা হয় না। এছাড়া আমি একজন সাদা এবং সব পুরস্কার লাভ করেছি। সুতরাং মনে হয়েছিল আমার জীবনে এই বিশেষ ঘটনা মোকাবেলা করার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।

অতিমারীর চরম এবং বিচ্ছিন্ন মাসগুলোতে আপনার জীবন কেমন কেটেছে? আপনি কি লেখালেখি করতে পেরেছেন?

যাই হোক, আমি খুবই অস্থিরভাবে লেখি। তাই লেখায় কোন স্থির নিয়ম-কানুন থাকে না। আমি প্রায় চার বছর যাবত একটা বই নিয়ে কাজ করেছি এবং বইটা আমাকে পীড়া দিয়েছে। তারপর জুলাই ও আগস্টের শেষের দিকে আমি অপ্রত্যাশিতভাবে কিছু নতুন কবিতা লিখেছি, এবং অকস্মাৎ বুঝতে পেরেছি যে আমি পাণ্ডলিপি তৈরি করতে পারবো এবং তা সমাপ্ত করতে সক্ষম হবো। সত্যি, তা ছিল অলৌকিক ঘটনা। কোভিডের সঙ্গে আমার আনন্দ ও স্বস্তিকে আপোস করতে হয়েছে, কারণ আমি আমার দৈনন্দিন জীবনের আতঙ্ক এবং প্রয়োজনীয় সীমাবদ্ধতার সঙ্গে লড়াই করেছি।

কোন বিষয়ে আপনার নতুন সংকলন

সবকিছু তছনছ হয়ে গেছে। বইটিতে অনেক শোক-বিলাপ আছে। এছাড়াও সংকলনটিতে অনেক হাস্যরসাত্মক কবিতা রয়েছে এবং কবিতাগুলো খুবই পরাবাস্তব।

যখন থেকে লিখতে শিখেছি, তখন থেকেই আমি মৃত্যুকে নিয়ে লিখেছি। আক্ষরিক অর্থে বলা যায় আমি দশ বছর বয়সে মৃত্যুকে নিয়ে লিখেছিলাম। ওহ্ হ্যাঁ, তখন আমি একটা হাসিখুশি মেয়ে ছিলাম। বার্ধক্য আরো জটিল বিষয়। এটা কেবল প্রকৃত অবস্থা নয় যে, আপনি আপনার মৃত্যুর কাছাকাছি পৌঁছুতে আকর্ষণ অনুভব করেছেন, বরং এটা সেই শারীরিক ক্ষমতা যার উপর আপনি ভরসা করেছেন- চেহারায় স্বাভাবিক মাধুর্য, ক্ষমতা এবং মানসিক চঞ্চলতা- এই বিষয়গুলো হয়তো আপোস করা হয়, নতুবা হুমকি হিসেবে ধরা হয়। তবে এসব বিষয় নিয়ে চিন্তা-ভাবনা এবং লেখালেখি করা সত্যি খুবই চমকপ্রদ অভিজ্ঞতা।

আপনার অনেক লেখাই ধ্রুপদী পৌরাণিক কাহিনী নিয়ে রচিত এবং পারিবারিক বন্ধন ও সম্পর্কের সঙ্গে আরো ঘনিষ্ঠ সমসাময়িক বিষয় ও পৌরাণিক স্থাপত্য একত্রে মিলেমিশে আছে। এই সব পৌরাণিক চরিত্রদের প্রতি আপনার কী ধরনের আকর্ষণ রয়েছে এবং কীভাবে সেসব কাহিনীর অনুসন্ধান ও যোগাযোগ আপনার কবিতাকে সমৃদ্ধ করে?

যারা লেখালেখি করে, তারা অতীতের স্মৃতি থেকে লেখার বিষয় এবং মাল-মশলা সংগ্রহ করে, বিশেষ করে শৈশবের যে জিনিসগুলো আপনাকে বদলে দিয়েছে বা আপনাকে স্পর্শ করেছে বা আপনাকে রোমান্সিত করেছে। আমি আমার দূরদৃষ্টিসম্পন্ন বাবা-মায়ের মুখে গ্রিক কল্পকাহিনী শুনেছি এবং যখন আমি নিজে পড়তে শিখেছি, তখন থেকেই সেগুলো পড়া শুরু করেছি। তখন আমার কাছে লং আইল্যান্ডের ব্লকের অন্যান্য ছোট শিশুদের তুলনায় দেবতা এবং বীরদের অবয়ব বেশি উজ্জ্বল ছিল। কিন্তু এটা এমন না যে, আমি জীবনের শেষের দিকে আমার কাজকে এক ধরনের শিক্ষণীয় উজ্জ্বলতা দিচ্ছিলাম। এগুলো ছিল আমার ঘুমানোর আগের গল্প। কিছু গল্প, বিশেষ করে আমার সঙ্গে অনুরণিত হয়েছে, যেমন পারসেফোন১, এবং আমি গত পঞ্চাশ বছর ধরে তাকে নিয়ে মাঝেমধ্যে লিখেছি। আমার মনে হয়, একসময় আমি আমার মায়ের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জড়িয়ে পড়েছিলাম, যেমনটা উচ্চাভিলাষী মেয়েরা প্রায়ই করে থাকে। আমি মনে করি সেই বিশেষ কল্পকাহিনী আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতার এক নয়া দিগন্ত উন্মোচন করেছিল। তবে আমি বলছি না যে, সেটা আমার দৈনন্দিন জীবনে কাজে লেগেছে। যখন আমি লিখেছি, তখন আমার মায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার বদলে আমি

ডেমেটার২ সম্পর্কে অভিযোগ করতে পারতাম।

কেউ কেউ আপনার কাজকে সিলভিয়া প্লাথের সঙ্গে তুলনা করেছেন এবং আপনার কবিতাকে স্বীকারোক্তিমূলক এবং ঘনিষ্ঠ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।আপনার কবিতায় আপনি নিজের কাজের অভিজ্ঞতা কতটা ফুটিয়ে তুলেছেন এবং সার্বজনীন মানবিক বিষয়কে আপনি কীভাবে উদঘাটন করছেন?

একজন কবি বা লেখক সবসময় নিজের অভিজ্ঞতাকে ব্যবহার করেন, কারণ এটা তার জীবনের উপাদান, যা তার শৈশব থেকে শুরু হয়েছে। কিন্তু আমি প্রতœতাত্ত্বিক অভিজ্ঞতা খুঁজি। আমি মনে করি যে, আমার সংগ্রাম এবং আনন্দ অনন্য নয়। তারা তাদের অভিজ্ঞতা হিসেবে অনন্য উপলব্ধি করে, কিন্তু আমি আমার উপর এবং আমার জীবনের উপর বিশেষ আলোকচ্ছটা পড়ার জন্য আগ্রহী নই, বরং মানুষের সংগ্রাম এবং আনন্দের উপর আমার আগ্রহ, যারা জন্মগ্রহণ করে, কিন্তু তারপর উৎখাত হতে বাধ্য হয়। আমার মনে হয় মৃত্যু নিয়ে লেখার কারণ এই যে, শৈশবে কোন কিছু আবিষ্কার করা আমার কাছে একটা ভয়ানক ধাক্কা ছিল, যা সারাজীবনেও পাওয়া যায় না।

আপনি আপনার লেখালেখির জীবনে বিভিন্ন কাব্যিক শৈলী নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন, যদিও আপনার লেখনির ধারা স্বতন্ত্র রয়ে গেছে। এটা কি বিভিন্ন ধরনের চেষ্টা করে নিজেকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার একটি ইচ্ছাকৃত এবং সচেতন প্রচেষ্টা?

হ্যাঁ, সব সময়। যারা লেখালেখি করেন, তারা প্রত্যেকেই দুঃসাহসিক হওয়ার জন্য লিখছেন। আমি এমন কোথাও নিজেকে নিয়ে যেতে চাই, যার সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না। আমি একটা অঞ্চলে অপরিচিত হয়ে থাকতে চাই। বার্ধক্য সম্পর্কে কয়েকটি ভাল জিনিসের মধ্যে একটি হলো লেখকের নতুন অভিজ্ঞতা রয়েছে। নিঃশেষ হয়ে যাওয়া সবার কাছে সবচেয়ে প্রতীক্ষিত আনন্দ নয়, কিন্তু সেই পরিস্থিতিতে একটা বিষয় আছে, যা একজন কবি বা লেখকের কাছে অমূল্য। আমার মনে হয় একজন লেখক বা কবিকে সবসময় বিস্মিত হতে হবে এবং অন্যভাবে বলা যায়, আবার শুরু করতে হবে। যদি তা না হতো, তবে আমি হয়তো কান্নায় ভেঙ্গে পড়তাম। আমার হাতে অনেক সময় আছে, যখন আমি ভেবেছি, আপনি জানেন, আমি সেই কবিতা লিখেছি। এটা খুবই ভালো কবিতা, কিন্তু আমি ইতোমধ্যেই তা লিখেছি।

আপনি কীভাবে অনুভব করেন যে, বার্ধক্য আপনাকে কবি হিসেবে নতুন দিগন্ত অন্বেষণ করতে বাধ্য করেছে?

যে কোন লেখক বা কবি যত্রতত্র একটি বিশেষ্য হারিয়ে ফেলতে পারেন এবং সেই জন্য বাক্যের মাঝে বিশাল গহ্বর সৃষ্টি হতে পরে। তখন হয় তাকে বাক্য পুনর্গঠন করতে হবে অথবা তা পরিত্যাগ করতে হবে। কিন্তু আসল কথা হচ্ছে, লেখক তা দেখতে পান, যা আগে কখনো ঘটেনি। যদিও এটা ভয়ানক, অপ্রীতিকর এবং অশুভ লক্ষণ, তবুও সৃষ্টিশীল শিল্পীর দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি এখনো উত্তেজনাপূর্ণ এবং নতুন।

প্রায়ই আপনার কাব্যিক শৈলী বাড়তি কিংবা কাটছাঁট হিসাবে বর্ণনা করা হয়। এটা কি সেই অশরীরী কণ্ঠস্বর, যখন আপনি লেখেন, তখন তা স্বাভাবিকভাবেই আপনার কাছে চলে আসে, নাকি অন্য কিছু, যা আপনি উন্নতি সাধন এবং ঘষেমেজে মসৃণ ও উজ্জ্বল করেন?

হ্যাঁ, মাঝে মাঝে কাটছাঁট হয়। কখনো কখনো আমি কথোপকথনের ভঙ্গিতে কবিতা রচনা করি। কোনো অদৃশ্য শক্তিকে অনুসরণ করে লেখালেখির কাজ করা যায় না। বাক্য নিজেই কথা বলার একটি উপায় খুঁজে নেয়। এটা ডেলফিক৩-এর মতো শোনাচ্ছে। এ বিষয়ে আলোচনা করা কঠিন। আমার মনে হয়, আমি বাক্যরীতি নিয়ে মুগ্ধ এবং সবসময় বাক্যের শক্তি অনুভব করি। যেসব কবিতা আমাকে সবচেয়ে বেশি নাড়া দিয়েছে, তা মৌখিকভাবে মোটেও অভিজাত্যপূর্ণ ছিল না। সেগুলো কবি ব্লেক এবং মিল্টন-এর কবিতার মতো, যার বাক্যরীতি ছিল বিস্ময়কর এবং সেভাবেই জোর দেওয়া হয়েছে।

আপনি ইয়েলে শিক্ষকতা করেন এবং বলেছেন যে আপনার নিজের লেখায় আপনি যেসব অসুবিধার সম্মুখীন হয়েছেন, সেসব পরিস্থিতিতে আপনার শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা আপনাকে সাহায্য করেছে। কীভাবে শিক্ষকতা আপনাকে একজন পূর্ণাঙ্গ লেখক তৈরি করতে পেরেছে?

একজন লেখক বা কবিকে ক্রমাগত অপ্রত্যাশিত এবং নতুন কিছুর মধ্যে অবগাহন করতে হয়। তাকে তার ধারণাগুলো পুনরায় সাজাতে হয়, যেন তিনি তার ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে তা বের করে আনতে পারেন, যা তাদের আন্দোলিত করে। ছাত্র-ছাত্রীরা আমাকে বিস্মিত করে; তারা আমাকে চমকে দেয়। যদিও আমি সবসময় লিখতে পারি না, তাই সেই সময়ে আমি অন্যদের লেখা পড়ি।

আপনার সময়ের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনি কি আর কিছু বলতে চান?

যদি আপনি এই সত্যটা বিবেচনা করেন যে, আমি কিছু বলতে চাইনি, তবে আমি আনত হয়ে কথা বললাম। না, আমি কিছুই ভাবতে পারছি না। সত্যিকারের জরুরি বিষয়ে যা বলতে চাই, তার অধিকাংশই আমি কবিতায় তুলে ধরি এবং বাকিগুলো কেবলই বিনোদন।

পাদটীকা (যদিও মূল সাক্ষাৎকারে নেই, তবুও পাঠকের সুবিধার্থে দেওয়া হলো):

পারসেফোন- গ্রিক পুরাণে জিয়ুস এবং ডেমেটারের কন্যা।

ডেমেটার- গ্রিক ধর্ম এবং পুরাণে অলিম্পিয়ান দেবী।

ডেলফিক- গ্রিক দেবতা ডেলফির দৈব বাণী।

  • লুইস গ্লুকের কবিতা

    ব্যক্তি থেকে বিশ্বজনীনতায় রূপায়ন

    অনন্ত মাহফুজ

    newsimage

    পঁচিশ বছর বয়সে লুইস গ্লুকের প্রথম কবিতাগ্রন্থ ফার্স্টবর্ন প্রকাশিত হবার পর কবিতাঙ্গনে

  • লুইস গ্লুকের কবিতা

    ‘তাজা বাতাসে জড়ানো নতুন পৃথিবী’ অনুবাদ : অশোক কর

    newsimage

    গ্রিটেল, অন্ধকারিত্বে এমন পৃথিবীই আমরা চেয়েছিলাম। যারা আমাদের মরে যেতে দেখেছিলো, ওরা এখন মৃত।

  • লুইস গ্লুকের কবিতা : ২

    ‘সেটিই নগর যেখানে আমি হাওয়া হয়ে যাই’ অনুবাদ : মুজিব রাহমান

    বাগান বাগান তোমাকে সমীহ করে। তোমার খাতিরে সে নিজেই মেখে নিয়েছে সবুজ রঞ্জক, গোলাপের লাল

  • শ্রদ্ধাঞ্জলি রশীদ হায়দার

    শরতের মেঘের মতো বিনয়ী ছিলেন যিনি

    আদিত্য নজরুল

    newsimage

    ‘মাত্রা’ গল্পের মাধ্যমেই রশীদ হায়দারের সাথে আমার পরিচয়। আমার আগ্রহ বেড়ে যায়

  • বিস্মৃত রাজনৈতিক মঞ্চের কথক মহিয়সী জায়নাব আখতার

    মোহাম্মদ হারুন-উর-রশিদ

    newsimage

    প্রথমেই বলে রাখা প্রয়োজন বইটি সাধারণ অর্থে অব্যাহতভাবে লেখা কোনো স্মৃতিকথা নয়।

  • সোনাভানের কাসিদা

    দিলারা মেসবাহ

    newsimage

    ‘অ ব্যাটা - ব্যাটারে। তোর মাওডা মইর‌্যা গেল কেমনে? সোনার মানুষডা

  • টক অব দ্য কান্ট্রি

    পীযূষ কান্তি বড়ুয়া

    newsimage

    কেবলমাত্র একটা তুচ্ছ সন্দেহকে কেন্দ্র করেই তাদের এক দশকের নিশ্চিদ্র দাম্পত্য গেছে