menu

বিশ্বসাহিত্য সংখ্যা চার

ক্যারল অ্যান ডাফি এই সময়ের কবি

উদয় শংকর দুর্জয়

  • ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৪ জুলাই ২০১৯
image

ক্যারল অ্যান ডাফি

আবেগপ্রবণতা অথবা কাঠিন্য, কৌতুকরসবোধ অথবা গীতিবিন্যাস, রীতিবিরুদ্ধ মনোভাব অথবা প্রচলিত ধারা, যাদুবাস্তবতা অথবা পরাবাস্তবতা এবং নারীবাদী সুচিন্তন যার কবিতায় ছড়িয়ে আছে অতি নিপুণভাবে তিনি হলেন ব্রিটেনের সাম্প্রতিক সময়ের একজন সাড়া জাগানো কবি ক্যারল অ্যান ডাফি।

ইংল্যান্ডের ইতিহাসের পেছনে এগোলে দেখা যায়, প্রায় চারশো বছর আগে পোয়েট লরিয়েট অর্থাৎ রাজকবির প্রত্যাবর্তন ঘটে। আর সেই রাজকবি হিসেবে প্রথম যিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আসনটি সম্মানিত করেন তিনি হলেন কবি জন ড্রয়ডেন। সপ্তদশ শতাব্দি থেকে চলমান এই রাজকবির আসনটি সগৌরবে এখনও বৃটেনের সর্বোচ্চ কবি খ্যাতির অন্যতম। একবিংশ শতাব্দির প্রথম দিকে অর্থাৎ ২০০৯ সাল থেকে ২০১৯ পর্যন্ত টানা দশ বছর নিযুক্ত ছিলেন কবি ক্যারল অ্যান ডাফি। ১৯৯৯ সালে রাজকবি টেড হিউজেসের মৃত্যুর পর রাজকবির পদটি যখন তাঁর দিকে আসতে গিয়েও গতিপথ বদল করে অ্যান্ড্রু মোশনের দিকে অগ্রসর হয় তখন ডাফি বলেছিলেন- ‘মূল্যবান পদ হিসেবে তাঁর জন্য উৎকৃষ্ট, এ কথা বলতে প্রস্তুত যে- কবিতা হলো আমাদের জাতীয় জীবনের একটি অংশ’। এবং ‘ডেইলি ইনডিপেনডেন্ট’-এ দেয়া এক সাক্ষাৎকারে আরও বলেন যে, আগামী শতাব্দিতে কবিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে এবং আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি বড় অংশ জুড়ে অবস্থান করবে’।

ক্যারল অ্যান ডাফি, কবিতায় অদৃশ্য জাল বোনেন আগামি দিনের। দিনবদলের পরিক্রমায় ঘটে যাওয়া অবশ্যম্ভাবিতাকে মেনে নিয়ে পরবর্তী শতাব্দির কথা ভাবেন। এটাই একজন প্রতিশ্রুতিশীল কবির কবিসত্তার অনুরণন। কবিতার দিন ফুরিয়ে যায়নি বরং কবিতা হলো এক সুপ্ত গতিপথে ধীর লয়ে বহমান একাকী-নির্মোহের সঙ্গী। সঙ্গতই মানুষ নিঃসঙ্গতাকে সবচেয়ে বেশি উদযাপন করে। যদিও সে উদযাপন শুধু বোহেমীয় আত্মার জন্য নয়; বিচ্ছিন্নতার মাঝে প্রত্যশার উদযাপনও বটে। এক অবিন্যস্ত কল্পনাকে ছাড়িয়ে কোনো কিছুকে আঁকড়ে ধরে টিকে থাকা। দূরের কোনো ছায়াপথে নয়, বরং অবকাশ যাপনের খাঁজে খাঁজে লুকিয়ে থাকে ডাফির কবিতা। নিষিক্ত ভালোবাসার এক আমরণ মৈথুন যেখানে, সেখানে ডাফি অতি সন্তর্পণে ভালোবেসেছেন অন্য আর এক নারীকে। নারীকে তিনি শুধু পুরুষের কৌমার্য দৃষ্টির ভেতর আছড়ে পড়া দেখতে চাননি। সেসব আত্মজৈবনিক ব্যঞ্জনা থেকে কবিতাকে বের করে এনেছেন ভাব বিন্যাসের মাধ্যমে। কখনও ইমেজ, কখনও মেটাফরের পাশাপাশি ‘অ্যামোরাস অ্যাফেয়ার’-এর সংমিশ্রণ ঘটিয়ে আলোচিত হয়েছেন বারবার। ‘স্ট্যান্ডিং ফিমেল ন্যুড’ কাব্যগ্রন্থ তাদের মধ্যে অন্যতম, যা ডাফির প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ, সময়কাল ১৯৮৫। এই কাব্যগ্রন্থে ফ্রেন্স সুররিয়ালিজমের স্পষ্ট ছায়া থাকলেও কাব্য সমালোচক সেন ওব্রিয়েন বলেছেন ‘স্ট্যান্ডিং ফিমেল ন্যুড’ সেভাবে সুরিয়ালিজমের আবেদন জাগাতে পারেনি বা উত্তীর্ণ হওয়ার মতো বাক্য সেখানে অনুপস্থিত। অন্যদিকে ‘আই রিমেম্বার মি’ কবিতায় খুঁজে পাওয়া যায় ফিলিপ লারকিনের কবিতার ঘ্রাণ, আবার এজরা পাউন্ডের ‘ইন স্টেশন অফ দ্য মেট্রো’ কবিতার কিছু সুপ্ত সদৃশ্যতাও রয়েছে সেখানে। এসব কিছু ছাপিয়েও কবি ক্যারল অ্যান ডাফি লিখেছেন ‘অ্যানি হ্যাতওয়ে’, ‘ভ্যালেন্টাইন’, ‘ওয়ার্মিং হার পার্লস’ ‘হ্যাভিজম’সহ অসংখ্য বিখ্যাত কবিতা।

তিনি বলেছেন- ‘আমি সহজ কথাগুলোকে একটু রূপকল্পে এবং নান্দনিক ভাষায় লেখার চেষ্টা করি’। কবিতার কতো রূপই না হতে পারে। কখনও ভাবের গভীরতাকে ছাপিয়ে বিষয়ের শরীরকে উপজীব্য করে অনুভূতির অনিবার্যতাকে প্রকাশ করে। কবি ক্যারল ডাফি সেই কাজটি নিপুণতার সাথে করতে একটুও কার্পণ্য করেননি। কবিতায় দুঃসাহস দেখাতে সবাই পারে না। যেমন ইন্ডিয়ান-অ্যামেরিকান কবি নিবেদিতা লেখাড়া লিখেছেন- ‘You were never not enough, I want you to remember that’ কবিতা জীবনের অবশ্যই অবিচ্ছেদ্য অংশ, সেটা যতটা স্পষ্ট কবিতায়, ততটা দীপ্যমান জীবনের চলার পথে। ডাফির মধ্যে রয়েছে ফেমিনিজম অর্থাৎ নারীবাদের ভাষ্য যা তাঁকে বারবার অনুপ্রাণিত করেছে। তাই তো কবিতা যখন ডাফির মুখোমুখি তখন উপমা, উৎপ্রেক্ষা আর অলংকারের এক ঝাঁক দুরন্ত শুভ্র মেঘ এসে ভিড় করে, ‘দ্য ডার্ক’ কবিতায়- ‘If you think of the dark/ as a black park/ and the moon as a bounced ball,/ then there’s nothing to be frightened of at all.’

ডাফির কবিতা জীবন-বাস্তবতার পরিধি পেরিয়ে বাইরের কোনো অনুষঙ্গ নয়, যেন দিনের শেষে এক মগ বিয়ারে চুমুক দিতে দিতে কবিতার কথারা জড়ো হওয়া। এর পর হয়তো অজান্তেই বিয়ারের মগ রেখে দাঁড়ানো কুয়াশা বিকেলের সিলভার কাচের জানালা ঘেঁষে। স্কটল্যান্ডের শহরতলীতে যখন শীত জমতে শুরু করে তখন রেড ওয়াইন আর সেপ্টেম্বরের শেষের দিনগুলো যেন আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। গ্রীষ্মকে সরিয়ে শীত বেরিয়ে আসে খোলস ছেড়ে। কবিতার জন্য ডাফি মোহের আবেশ ছড়িয়ে অপেক্ষা করেন। ‘মিস মাইডাস’ কবিতায় এমনি করে উঠে এসেছে তাঁর সময়ের গল্প। কবি তাঁর সময়কে ধরে রাখেন, গেঁথে রাখেন সুখাসুখ আলপিনের মতো, কবিতার দেহ কক্ষে। ‘It was late September, I’d just poured a glass of wine, begun to unwind,/ while the vegetables cooked./ The kitchen filled with the smell of itself, relaxed, its steamy breath/ gently blanching the window. So I opened one,/ then with my fingers wiped the other’s/ glass like a brow. ডাফির কবিতা সম্পর্কে কবি সিন ওব্রিয়েন বলেছেন- ‘ডাফির কবিতা, যেন প্রেম, যা এক প্রকার স্বীকৃতির উপর নির্ভর করে’। কবিতার পাঠকরা বলেন- ‘ডাফি হচ্ছেন বর্তমান সময়ের কবিতার কর্ণধার’।

ডাফির কবিতায় শুধু যে যাপনের দীর্ঘসূত্রতার হাওয়া তা নয়, সেখানে তিনি উড়িয়েছেন উত্তর আধুনিকতার উদ্বেলিত সোনালি পাল। চির শাশ্বত প্রেম নিমজ্জিত যেখানে, সেখানে ভালোবাসার জন্য মায়াকান্না নেই, আছে স্পষ্ট কথোপকথন; আছে নতুন সমন্বিত অভিজ্ঞান-অভিজ্ঞতা এবং অবিভাজ্য অনুভবের ধ্রুপদী চিত্রকল্প। তিনি লিখছেন তাঁর ভ্যালেন্টাইন কবিতায়- ‘তোমাকে একটা পিঁয়াজ দেবো।/ এটা একটা চাঁদ যা বাদামী কাগজে মোড়া।/ এটা আলোর কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ/ যেভাবে ভালোবাসা তার পালকগুলোকে সযত্নে খুলে ফ্যালে।’

ডাফি তাঁর কাব্য ব্যঞ্জনার সরলতা দিয়ে পাঠকের সংবেদনশীল হৃদয়ের রাজদুয়ারে পৌঁছে যান অনায়াসে। কল্পনা জগতের সব জঞ্জাল মুছে দিয়ে তিনি চিত্তবৈভবের অনুরণনকে তুলে ধরেন নিত্য শব্দ ব্যবহারে। ডাফি বলেছেন- ‘কবিতা এবং প্রার্থনা ভীষণ অনুরূপ’। একজন কবি কবিতার প্রতি তাঁর কতটা মমত্ববোধ, আত্মত্যাগ, অভিজ্ঞান, উপলব্ধি থাকলে এমন করে বলতে পারেন। ‘টি’ কবিতায় তিনি লিখেছেন, কবিতাটি যদিও একটু বর্ণনামূলক,- ‘যখন তুমি কাজের জন্য বেরিয়ে পড় তখন তোমাকে অনুভব করি, সেই চায়ের পেয়ালা ধরে যেভাবে চুমুক দাও, আর তোমার ঠোঁটের কোনায় লেগে থাকা ছোট্ট হাসির কথা ভেবে আমি মূর্ছিত হই’। ডাফির কবিতায় রোম্যান্টিসিজমের যে সুগভীর স্তর জমে আছে তা যে কোনো পাঠকের হৃৎপ্রকোষ্ঠে অনুরণন হয়ে বাজবে।

একাকিত্ব যে মানুষের দহনকে টের পাইয়ে দিয়ে যায়! তাহলে ডাফির কবিতা কি সেই পথে হেঁটেছে বারবার! না, তাও নয়, ডাফির কবিতা হলো একদিকে রান্নাঘরে কফি বানানোর ফাঁকে দেখে নেয়া জানালার আড়ালে বেলাশেষের সূর্যরঙ, অন্যপাশে আবিষ্কার করা একটি মন্থর সন্ধের মধ্যে একটি ট্রেনের ধীরে ধীরে নিঃশেষ হয়ে যাওয়া ইংল্যান্ডের রাস্তা ধরে। ডাফি ভাবেন সবকিছু নীরব নিঃসঙ্গ না, আবার কোনো কিছু না মানে নীরবতা নয়। এই যে একের মধ্যে দুই ভাবনা অথবা ভাবনাকে কেন্দ্র করে অনেক দূরে হারিয়ে যাওয়া, এসব তিনি কবিতার মধ্যে গ্রথিত করেন। ‘দ্য ওয়ে মাই মাদার স্পিক্স’ কবিতায় মা-কে লেখেন এভাবে- ‘The daz and ever’ অর্থাৎ আমি তোমাকে প্রতিদিন এবং সারাজীবনের জন্য ভালোবাসি। ডাফির অনেক কবিতার মধ্যে রবার্ট ব্রাউনিং, টি, এস, এলিয়ট এবং সিল্ভিয়া প্লাথের ছায়া খুঁজে পাওয়া যায়। সিলভিয়ার কবিতায় যেমন প্রেম আর আবেগের মোহ উন্মোচনের গভীর উন্মাদনা রয়েছে তেমনি ডাফির কবিতায়ও। অজানা প্রেম যখন উড়ে আসে শূন্যতা ভর করে তখন কবিও বিচলিত হন অজ্ঞাতে। সিলভিয়া প্লাথ, টেড হিউজের ‘হক ইন দ্য রেন’ পড়ে রীতিমত জাদুমুগ্ধ হন এবং কেমব্রিজের একটি পার্টিতে হিউজকে বলেই বসেন- ‘আমাকে আদর করে দ্যাখো আমি কতটা গুরুত্বপূর্ণ’। কবিতা কীভাবে পাঠকের মনে দুরন্ত প্রেম এনে দিতে পারে টেড হিউজ তাঁর প্রমাণ। অন্যদিকে ডাফি লেখেন- ‘আমি তোমার কাছে একটি ছবির মতো যা তুমি তোমার জিহ্বা দিয়ে আমাকে এঁকেছ, মুছেছ, রঙিন করেছ, শিরোনামহীন করেছ আবার নামাঙ্কিত করেছ’। সিলভিয়া প্লাথ, টেড হিউজ, ক্যারল অ্যান ডাফি তাঁরা সবাই স্ব-স্ব-স্থানে দেদীপ্যমান। ডাফি তাঁর কবিতায় বারবার নারীকেই টেনে এনেছেন; নারীর শরীর আর চৈতন্যের বেহালায় বাজিয়েছেন রোমাঞ্চকরের গীতিবাদ্য। এবার শেষ করা যাক একজন সমালোচকের মন্তব্য দিয়ে। ডাফির কবিতা সম্পর্কে ক্যাথরিন ভিনার গার্ডিয়ান উইকেন্ড পত্রিকায় লিখেছিলেন- ‘তাঁর কবিতা সহজগম্য এবং মনোরঞ্জনকর, তবুও তাঁর ধারা এবং রীতি ধ্রুপদী, তাঁর কৌশল ক্ষুরধার। সত্যিকার যারা কবিতা পড়ে না তারাও ডাফির কবিতা পড়ে, তবু সে তাঁর সহকর্মীদের সম্মান বজায় রাখেন। সমালোচকরা তাঁর কবিতার অন্তর্গত সম্পর্ক, সূক্ষ্ম সংবেদনশীল অনুভব, ভালোবাসার বিদগ্ধ আহ্বান, বিসর্জন, বিচ্ছেদ, স্মৃতি-বেদনাকে প্রশংসা করেন। ভক্তগণ তাঁর কবিতার মধ্যে উপভোগ করেন অপার আনন্দ যেন ক্লাপ এবং চিয়ার্সের সংমিশ্রণ যেমনটি রক গানের অনুষ্ঠানেও ধ্বনিত হয় না।’

  • ক্যারল অ্যান ডাফির কবিতা

    ভাষান্তর : উদয় শংকর দুর্জয়

    newsimage

    তাঁর মুক্তাগুলোকে উদ্দীপ্ত করা আমার নিজের ত্বকের পাশে, তাঁর মুক্তা খচিত গহনা। আমার

  • ওই মহাসিন্ধুর ওপার থেকে

    হাসান অরিন্দম

    newsimage

    একটি চিহ্নিত ভূখন্ডে মানবসন্তানের জন্ম হয়, আর আমরা পাই এক-একটি মাতৃভাষাও। সেই

  • ডব্লিউ এস গ্রাহাম-এর অপ্রকাশিত কবিতা

    ভূমিকা ও অনুবাদ : মিলটন রহমান

    newsimage

    সম্প্রতি স্কটিশ কবি ডব্লিউ এস গ্রাহাম-এর কিছু অপ্রকাশিত কবিতা প্রাপ্তির কথা জানিয়েছে

  • একজন মানুষ

    মূল : ভায়াকম মোহাম্মদ বশীর
    ভাষান্তর : নীতিন রায়

    newsimage

    আপনার নির্দিষ্ট কোন পরিকল্পনা নেই। আপনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে বহুদূরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

  • আষাঢ়ে, বরিষণে

    newsimage

    তোমার কথা ভাবছিলাম বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর তোমার কথা ভাবছিলাম তুমি এলে না, বৃষ্টি এলো সেই

  • নিরাপত্তা

    জান্নাতুল ফেরদৌস

    newsimage

    বেলা এগারোটার দিকে আমি পৌঁছালাম সেই গ্রামটাতে। এখন আমি ভিকটিমের বাড়ির ছোট

  • কানিজ পারিজাতের শিহরন জাগানো গল্পগ্রন্থ ‘জলশিহরন’

    অঞ্জনা সাহা

    newsimage

    কানিজ পারিজাত একজন গল্পকার। কিন্তু তাকে আমি কবি বলেই জানতাম! প্রথম যেদিন

  • ভারতের বুকে বসন্তের বজ্রনির্ঘোষ

    মাটি চাপা হুঙ্কারের ইতিহাস ও নকশালবাড়ি

    গৌতম গুহ রায়

    newsimage

    (পূর্ব প্রকাশের পর) তেভাগা’র আন্দোলনে জলপাইগুড়ির ডুয়ার্সের ইতিহাস এক ব্যতক্রমী ঘটনা। এখানে কৃষকের