menu

ক্যান্ডি

মূল: নয়নরাজ পান্ডে
অনুবাদ: ফজল হাসান

  • ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৯
image

জেলার প্রধান কার্যালয়ের সামনে পাজেরো গাড়ি থেকে নেমে আমার ব্যক্তিগত সহকারী এবং আমি সামনের দিকে হাঁটতে থাকি। ময়লা এবং ধূলিধূসরিত পথ। এবড়োখেবড়ো এবং পুঁতিগন্ধময়। গ্রামগুলো কেন এমন নোংরা হয়?

আমি আমার গ্রামের দিকে হেঁটে যাচ্ছিলাম। জনগণ সবসময়ই অভিযোগ করে যে, আমরা, অর্থাৎ নেতারা, নির্বাচনে জেতার পর আমাদের গ্রামের কথা বেমালুম ভুলে যাই। সেই অভিযোগ খন্ডন করার জন্যই আমি গ্রামে যাচ্ছি। নির্বাচনে জয়লাভ করার পর শহরে চলে গিয়েছি এবং এই প্রথম গ্রামে ফিরছি। আমার মনে হচ্ছিল আমি যেন সম্পূর্ণ এক অচেনা জায়গায় এসেছি। আমার পকেটে কিছু ক্যান্ডি আছে। আমি ওগুলো বাচ্চাদের দেওয়ার জন্য এনেছি।

‘মিনিস্টার-ইয়ু, মনে হয় আমরা আমাদের পথ থেকে দূরে চলে এসেছি।’

‘ওহ্, তুমি ঠিকই বলেছ।’ ব্যক্তিগত সহকারীকে বলার সময় আমি নিজের স্নায়ুকে স্বাভাবিক রাখি। ‘প্রধান সড়কের শাখা-প্রশাখা সালাঘারিতে মিলেছে। আমরা আছি ধর্মপুরে,’ আমি কপালের ঘাম মুছতে মুছতে বললাম।

‘মিনিষ্টার-ইয়ু, চলুন, এক কাজ করি। সালাঘারির পথ ধরে যাই। সম্ভবত তাড়াতাড়ি যাওয়া যাবে।’

আমার মনে হলো গ্রামের প্রতি ব্যক্তিগত সহকারীর এক ধরনের সহানুভূতি রয়েছে। আমি তার পরামর্শ গ্রহণ করি এবং ভিন্ন পথ ধরি। যাহোক, ধর্মপুরে যাওয়ার কোনো ইচ্ছে আমার নেই। কেননা সেখানেই আমি সবচেয়ে কম ভোট পেয়েছি। সর্বসাকল্যে তিন শ’ ভোট।

‘ধর্মপুরের বিশ্বাসঘাতক ভোটারেরা আমার কাছ থেকে ষাট হাজার রুপি হাতিয়ে নিয়েছে। আমি ওদের অভিশাপ দিয়েছি এবং বলেছি, ‘ধর্মপুরের জন্য আমি কোনো বাজেট পাশ করবো না।’

নিজের কাছে আমি অঙ্গীকার করেছি। আমার ভাবনা-চিন্তার কথা শুনে ব্যক্তিগত সহকারী বললো, ‘হ্যাঁ, হুজুর, ধর্মপুর গ্রামের জন্য আমাদের কোনোও বাজেট পাশ করার প্রয়োজন নেই।’

***

পুনরায় আমার রাগ হয়। আমরা আরেকবার সালাঘারি অতিক্রম করেছি। এখন আমরা চিত্রাপুরে পৌঁছেছি।

‘তুমি একটা হাঁদারাম। এই গ্রামের মধ্যে আমরা যেতে পারি না। গ্রামবাসী আমাদের পিটুনি দিবে।’

যেইমাত্র আমি কথাটা উচ্চারণ করেছি, অমনি ব্যক্তিগত সহকারী কাঁপতে শুরু করে। ‘আমাদের জন্য হয়তো ওরা ওঁৎ পেতে আছে। সালাঘারিতেই ফিরে চলুন, স্যার।’ তার ভাবভঙ্গি দেখে মনে হলো সে যেন পড়নের প্যান্ট ভিজিয়ে ফেলেছে।

আমরা সালাঘারির পথ ধরি। রাস্তায় অপরিচিত পথচারীদের শনাক্ত করি। কয়েকটি ছেলেমেয়ে আমাদের অনুসরণ করে। আমি পকেট থেকে কিছু ক্যান্ডি বের করে ওদের হাতে তুলে দিই।

***

আসলে ব্যাঙ্গারিতে এসে প্রধান সড়ক মিলে গেছে, সালাঘারিতে নয়। আমি উল্টোটা ভেবেছি।

আমাকে দেখে সালাঘারি গ্রাম উন্নয়ন কমিটির চেয়ারম্যান কাচুমাচু হয়ে দু’হাত একত্র করে কচলাতে থাকে। সে বললো, ‘মিনিষ্টার-ইয়ু, যেহেতু এখানে আপনি এসেছেন, তাই চলে যাওয়ার আগে এক কাপ চা খেয়ে যাবেন।’

আমি শহরমুখী হওয়ার পর এই প্রথম দেখলাম একজন মানুষ কেমন করে দু’হাত একত্র করে কচলায়। আমার হৃদয় প্রশমিত হয়।

‘গ্রামের কী কী সমস্যা?’ আমি চেয়ারম্যানকে জিজ্ঞাসা করি।

‘খাবার পানি নিয়ে আমাদের খুবই অসুবিধা হচ্ছে, স্যার।’ জবাবে চেয়ারম্যান বললো।

‘সবুর করেন। চিন্তা করবেন না। আগামি পাঁচ বছরে পুরো গ্রাম পানিতে ভাসিয়ে দিব,’ আমি লোকটিকে আশ্বস্ত করি, কিন্তু আপনমনে নিজেকে বললাম, ‘কিছুই পাবেন না।’

বলেই আমি সেখানে আরো কিছু ক্যান্ডি বিতরণ করি।

***

তারপর ব্যক্তিগত সহকারীকে আমি উচ্চস্বরে ভর্ৎসনা করি, ‘তুমি কি অন্য ভাবে কাজ করতে পারো না? আমাকে ভুল পথে নিয়ে এসেছ?’

‘স্যার, এখানে আমি প্রথম এসেছি। পথঘাট চিনি না। আমি ভেবেছিলাম, আপনি হয়তো চেনেন। এখানে আপনার জন্ম এবং এখানেই বেড়ে উঠেছেন। আপনি এই এলাকা থেকেই তো নির্বাচনে জয়লাভ করেছেন।’

আসলে কথাটা আমার জন্য খুবই লজ্জাজনক। যাহোক, আমি বললাম, ‘ঠিক আছে, মনে কিছু করো না। চলো, আমরা অন্য পথে যাই। তবেই আমরা আমার গ্রামে যেতে পারবো।’

এক সময় গ্রামে পৌঁছে আমি গর্ব করে ব্যক্তিগত সহকারীকে বললাম, ‘দেখেছ, এটাই ব্যাঙ্গারি।’

কিন্তু গ্রামের ভেতর প্রবেশ করে বুঝলাম যে, এটা ব্যাঙ্গারি নয়, ডান্ডাগাঁও।

এখন আমি বুঝতে পেরেছি, আসলে মন্ত্রী হওয়ার ঝক্কি-ঝামেলা অনেক। মন্ত্রী নিজের গ্রামের পথঘাটের কথা অন্য কাউকে জিজ্ঞাসা করতে পারে না। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, পরবর্তীতে গ্রামে আসার সময় সঙ্গে করে একটা মানচিত্র নিয়ে আসবো। আমি আমার সিদ্ধান্তের কথা ব্যক্তিগত সহকারীকে বললাম। সে অত্যন্ত খুশি। আমরা হাঁটতে থাকি, কিন্তু পথ খুঁজে পাই না। আজ আমার কাছে যদি একটা মানচিত্র থাকতো, তাহলে এভাবে আমাকে হারিয়ে যেতে হতো না। সেই মুহূর্তে মানচিত্রের বিষয়টা আমার কাছে সবচেয়ে বেশি দূরদর্শী এবং প্রাসঙ্গিক বলে মনে হলো।

***

‘এই গ্রাম থেকেই আপনি ১৯৬০ সালে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন।’ অন্য আরেক গ্রামে পৌঁছার পর এক বৃদ্ধ স্মৃতির পাতা হাতড়ে বললো।

সত্যি বলতে কি, বৃদ্ধের এই তথ্যটা আমার মনের মধ্যে আবেগ সৃষ্টি করে এবং আমি প্রায় বলতে যাচ্ছিলাম, ‘ওহ্, তাই নাকি?’

আফসোস, এ প্রসঙ্গে আমি সবকিছু ভুলে গিয়েছি। তাই বৃদ্ধকে কিছুই বলতে পারিনি। এখন আমার সমস্যা আরো বেশি প্রকট। এটাও আমার গ্রাম নয়। তবে একটি মাত্র স্বান্ত্বনা যে, সবগুলো গ্রামই আমার নির্বাচনী এলাকার আওতায় পড়েছে।

‘তোমার কলম বের করো,’ আমি ব্যক্তিগত সহকারীকে রীতিমতো হুকুম করি। এ পর্যন্ত আমরা যতগুলো গ্রামে গিয়েছি, প্রত্যেকটি গ্রামের নাম তাকে লিখতে বললাম।

ব্যক্তিগত সহকারী উচ্ছ্বসিত, ‘মিনিস্টার-ইয়ু, আপনি পায়ে হেঁটে সবগুলো গ্রামে গিয়েছেন। এটা একটা অবিশ্বাস্য খবর হবে, স্যার।’

‘তা আমার দূরদর্শীতার নমুনা।’ আমি আপনমনে বললাম।

আমাদের হাঁটার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রাস্তা প্রশস্ত হতে থাকে। আমার বিশ্বাস, শেষপর্য্যন্ত আমার জন্মভূমির কাছাকাছি আসতে পেরেছি। কিন্তু পুনরায় আমরা অন্য গ্রামে পৌঁছেছি।

***

সূর্যের তেজি রোদ আমার মধ্যে শীতাতপের আকুল আকাক্সক্ষা জাগিয়ে তোলে। পাজেরোর কথা আমার মনে পড়ে। একসময় মন্ত্রণালয়ে আমার শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষের ছবি চোখের সামনে ভেসে ওঠে এবং আমার দুশ্চিন্তা বাড়তে থাকে। একধরনের ভয় আমাকে আরো গভীরভাবে আঁকড়ে ধরে। ইতোমধ্যে হয়তো আমার অনুপস্থিতিতে প্রতিমন্ত্রী তার নিজের লোকজন ডেকে জড়ো করেছে এবং নিজেই সব কমিশন হাপিশ করে ফেলেছে।

আমি ব্যক্তিগত সহকারীকে জিজ্ঞাসা করি, ‘কোনটা বড়? গ্রাম, নাকি দেশ?’

ভীষণ আবেগে সে তৎক্ষণাৎ বললো, ‘দেশ।’

‘যদি তাই হয়, তাহলে রাজধানীতেই ফিরে চলো।’

‘আজ্ঞে, হুজুর। গ্রাম খুঁজে বের করার জন্য সময় নষ্ট করার চেয়ে রাজধানীতে ফিরে যাওয়াই শ্রেয়।’

ব্যক্তিগত সহকারীর কথা শুনে আমি ঘুরে দাঁড়াই।

ফেরার পথে একদল ছেলেমেয়ের সঙ্গে আমাদের দেখা হয়। অবশিষ্ট ক্যান্ডি আমি ওদের হাতে তুলে দিই।

ক্যান্ডি শেষ হয়ে গেছে এবং গ্রামে যাওয়ার পথও বন্ধ হয়ে এসেছে।

লেখক পরিচিতি:

নেপালের জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক, ছোটগল্প লেখক এবং চিত্রনাট্যকার নয়ন রাজ পান্ডে। নেপালের সমকালীন সামাজিক পরিস্থিতি তুলে ধরার জন্য তিনি পাঠকমহলে অত্যন্ত পরিচিত। তাঁর জন্ম কাঠমন্ডুর পিউখা টোলে, ৯ জুন ১৯৬৬ সালে। জন্মের সময় তাঁর পিতা ছিলেন সরকারী কর্মচারী, কিন্তু পরবর্তীতে তিনি নেপালগঞ্জে স্কুলের প্রধান শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেন এবং পুরো পরিবার সেখানে চলে যান। পান্ডের শৈশবের অনেক সময় নেপালগঞ্জে কাটে। সেখানে তিনি স্কুল এবং কলেজের পড়াশোনা সমাপ্ত করেন। তিনি ১৯৮৭ সালে কাঠমন্ডুতে ফিরে এসে আইন বিষয়ে ব্যাচেলার ডিগ্রি অর্জন করেন। তখন থেকেই লেখালেখির ভুবনে তাঁর পদচারণা। মূলত তাঁর লেখায় সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক বিষয়গুলো প্রাধান্য পেয়েছে। উপন্যাস এবং ছোটগল্প দিয়ে লেখালেখির শুরু হলেও পরবর্তীতে তিনি টেলিভিশনের জন্য চিত্রনাট্য রচনা করে ভূয়সী প্রশংসা লাভ করেন। এছাড়া ‘অভিব্যক্তি’ শিরোনামে তিনি টেলিভিশনে শিল্প-সাহিত্যের অনুষ্ঠান পরিচালনার করেন। তিনি দুই ডজনের অধিক চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য রচনা করেন। দীর্ঘ দু’দশক টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার পরে তিনি পুরোপুরি সময় লেখালেখিতে ব্যয় করার সিদ্ধান্ত নেন।

নয়ন রাজ পান্ডের Nango Manchheko Diary এবং Biramaditya Euta Suun Katha উপন্যাস দু’টি প্রকাশিত হয় ১৯৮৭ সালে। তাঁর তৃতীয় উপন্যাস Atirikta এবং চতুর্থ উপন্যাস Ular প্রকাশিত হয় যথাক্রমে ১৯৯৭ এবং ২০০০ সালে। উল্লেখ্য, Ular উপন্যাসটি ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্রাজুয়েট ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পাঠ্য হিসাবে অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া ২০১১ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর জনপ্রিয় উপন্যাস Luu এবং ২০১৩ সালে প্রকাশিত হয় এযধসশরৎর উপন্যাস। তিনি নেপালের বেশ কয়েকটি অধিক বিক্রিত গ্রন্থের রচয়িতা, যেমন Ular, Luu I Ghamkiri Dcb¨vm | GQvov Khor Bhitra Ko Joker, Nigaye Jagadamba I Chocklate তাঁর সর্বশেষ গ্রন্থ Yaar (নন-ফিকশন) প্রকাশিত হয় ২০১৮ সালে এবং এই গ্রন্থের জন্য তিনি ‘পদ্মশ্রী সাহিত্য পুরস্কার’ লাভ করেন।

গল্পসূত্র এবং মূলকথা: ‘ক্যান্ডি’ গল্পটি নয়ন রাজ পান্ডের ইংরেজিতে একই শিরোনামের গল্পের অনুবাদ। নেপালী ভাষা থেকে গল্পটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন ভিনা পান। গল্পটি ‘ওয়ার্ডস্ উইদাউট বর্ডার্স্’ ম্যাগাজিনের ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর সংখ্যায় প্রকাশিত হয় এবং সেখান থেকে নেয়া হয়েছে।

‘ক্যান্ডি’ একটি ব্যঙ্গাত্মক গল্প। লেখক এই গল্পটিতে নেপালের রাজনীতিবিদদের অজ্ঞতা এবং তাদের নেতৃত্বের শূন্যতা অত্যন্ত সহজিয়া ভাষায় তুলে ধরেছেন।

  • হাসান আজিজুল হকের সাক্ষাৎকার

    ‘আমি যা কিছু লিখেছি-
    মাটি থেকে পেয়েছি’

    সাক্ষাৎকার গ্রহণ : ওবায়েদ আকাশ, কাজী রাফি, খন্দকার মুনতাসীর মামুন

    newsimage

    ওবায়েদ আকাশ : লেখকদের মধ্যে একটা ব্যাপার দেখা যায় যে, এ কাজটি

  • বিপুল জীবনানন্দ

    আজও অসম্পূর্ণ উত্তরপত্রের এক সুদীর্ঘ প্রশ্নপত্র

    এমিলি জামান

    newsimage

    ১৯৯৯ সনে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সর্বাধিক পাঠকপ্রিয় শক্তিধর কবি জীবনানন্দের জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপিত

  • বইমেলার পরিবেশ ও সংস্কৃতির সমৃদ্ধি

    ওবায়েদ আকাশ

    newsimage

    বইমেলা যখনই কোনো রাজনৈতিক সুস্থ পরিবেশে অুনষ্ঠিত হয়েছে; তখনই এর ফলাফল নিয়ে

  • অসীম সাহার কবিতা

    newsimage

    অমৃত-গরল জ্যোৎস্নাকে ফেরাতে নদী ছুটে যাচ্ছে সমুদ্রের কাছে! টাইটানিক গতি তার। ডুবে যাচ্ছে বেদনার তীব্র

  • মিনার মনসুরের কবিতা

    আমার আজব ঘোড়া

    newsimage

    গল্পগুলোর ডানা ছিল ঘোড়াটিই আমাকে নিয়ে গিয়েছিল রূপকথার সেই মাঠে। দিগন্তছোঁয়া তার পৌরুষ।

  • ধারাবাহিক উপন্যাস ৬

    ‘মৌর্য’

    আবুল কাসেম

    newsimage

    পূর্ব প্রকাশের পর মন্দাকিনী মহামূল্যবান একজোড়া জুতো পরিয়ে দিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়াতে বললো।

  • মহাদেশের মতো এক দেশে ৬

    কামরুল হাসান

    newsimage

    হক্‌সবুরি রিভার স্টেশনে একা বসে আছি প্রকৃতির অমলিন ঔদার্যের ভিতর। স্টেশনের ওভারব্রিজ