menu

আমার বাবা উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর হবেন

সালমান তারিক মিশা

  • ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮
image

বাবার কোলে মিশা

ছোটবেলা থেকে আমি খুব একা থাকতাম। স্কুলে ভর্তি হই ১৯৭৫ সালে গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুলে। আমার হাতেগোনা দুই তিনজন বন্ধু ছিল। আমি খুব বন্ধুবৎসল ছিলাম, যতটা বাড়িতে ছিল। আমার বাবা-মাই আমার প্রকৃত বন্ধু। মা’র সঙ্গে যতটুকু বাবার সঙ্গে তার চেয়ে একটু গোটানো ছিলাম। বাবা আমাকে ধমক দিতেন, কিন্তু সেই ধমকের মধ্যে আদর থাকতো। মাকে নির্ভয়ে অনেক কথা বলা যেত। আসলে বাবার বন্ধুরাই ছিল আমার বন্ধু। ক্লাস সেভেন থেকে পানটান একটু আধটু করাতেন বাবা। এ ব্যাপারে মা একটু দুঃশ্চিন্তা করতেন। এটা সব সময় হতো না। থার্টি ফার্স্ট বা কোনো উৎসবের দিনে হতো। বাবা মা-কে বলতেন, আরে এতে কিছু হবে না। বাবা বলতেন, আমার সাথে বাসায় দু এক পেগ খাও, কিন্তু বাইরে খেয়ো না। তখন থেকেই ভাবতাম, যার বাসায় এমন বন্ধু আছে, যার বাসায় এমন বাবা-মা আছে, তার বাইরের বন্ধু খুব একটা দরকার পড়ে না।

আমি একটু বেহিসেবী জীবনযাপন করেছি। অনেক টাকাপয়সা উড়িয়েছি। আমার মা সত্যিকার অর্থে সর্বংসহা। আমি কোথাও স্থিত হতে পারিনি। পড়ালেখা ভাল হয়নি। পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াতে পারিনি। কিন্তু তাই বলে মা কখনো আমার ওপর বিরক্ত হননি। এত টাকাপয়সা কেন উড়িয়েছি সে বিষয়ে কোনো শাসন করেননি। কিন্তু বাবা মাঝে মাঝে হেসে হেসে বলতেন, তুই আমার টাকাপয়সা নষ্ট করছিস। পরক্ষণেই আবার বলতেন, তোরা আমার অনেক আদরের সন্তান। আমি আর বান্টি যখন ঘুমিয়ে যেতাম, তখন বাবা রেগুলেটরটা ৩-এ দিতেন, ৫-এ দিতেন না। বাবা ভাবতেন, যদি আমাদের ঠান্ডা লেগে যায়!

বাবা খুব বৃষ্টি পছন্দ করতেন, আমিও খুব বৃষ্টি পছন্দ করি। বাবা আমাকে বলতেন, নর্থ-ওয়েস্টার্নে মেঘ হলে বৃষ্টি আসবে। বাবা আবহাওয়া দফতরের এক বিশাল মানুষ মনে করতেন নিজেকে। সব জানালা দরজার ছিটকিনি লাগিয়ে দিতেন, বলতেন সবাই নিরাপদে থাকুক। বলতেন, উপকূলের মানুষেরা কত না বিপদে আছে! বাবার দেশ নিয়ে খুব চিন্তা ছিল। তখন স্বৈরাচারী জিয়াউর রহমানের আমল। বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারণ করা যায় না। বাবার একজন খুব ভাল বন্ধু ছিলেন, মাঈদুল ইসলাম। বলতে গেলে বাবা আর তিনি হরিহর আত্মা। উনাকে বাবার অভিভাবকও বলা যায়, বন্ধুও বলা যায়, বাবাও বলা যায়। সেদিনের আড্ডায় অন্যান্য লোকেরা মাঈদুল ইসলামকে খুশি করার জন্য বঙ্গবন্ধুকে নীচু করতে গেলেন। তখন মাঈদুল ইসলাম বললেন, ‘ডোন্ট টেল, হি ইজ আ গ্রেট ম্যান।’ তখন বাবা বললেন, ‘জিয়ার নাম লেখা থাকবে হয়তো আধা লাইন, বঙ্গবন্ধুর থাকবে দুই পৃষ্ঠা।’ তখন আমাদের আড্ডাটা ভন্ডুল হয়ে যায় শুধু ওই আদর্শের বিরোধের কারণে। পরবর্তীতে মাঈদুল ইসলাম সাহেব বাবাকে সম্পাদক করেন ‘দৈনিক বিপ্লব’ পত্রিকার। বললেন, দীপক আমার ভ্যালুয়েবল এডিটর। আমার বাবার ডাকনাম দীপক। তখন ‘বিচিত্রা’র শাহাদাত চৌধুরীও বললেন, বিপ্লব তো সমানে সমানে যাচ্ছে। তখনকার সংখ্যাগুলো না দেখলে বোঝা যাবে না। এর সাবজেক্টগুলি যদি আমরা দেখি, যেমন একটা ছিল : ‘নয় মাসের হত্যা ধর্ষণ লুণ্ঠন নির্যাতনের স্মৃতি যে ভোলে ভুলুক আমরা কভু ভুলিব না’। তারপর আর একটা ছিল : ‘বিপ্লবের মহানায়ক গাদ্দাফি’। আর একটা ছিল : ‘নরক যদি কোথাও থাকে রাজধানী ঢাকার বস্তি’। তখন সেখানে কাজ করতেন কবি আবু কায়সার। প্রথম কাজ করতে শুরু করলেন মাসুক হেলাল, আফজাল চৌধুরী, ফারুক মাহমুদ। ফারুক মাহমুদের লেখাও আছে ‘প্রিয় সম্পাদক’ বাবাকে নিয়ে। ওখানে তখন সৈয়দ শামসুল হক সাহেবরা আসতেন। ঈদ সংখ্যার আগে ব্যস্ততার কারণে বাবা বাসায় ফিরতে পারতেন না। মা রান্না করে পাঠিয়ে দিতেন। ওখানেই প্রথম ছাপা হয় সৈয়দ শামসুল হকের ‘আয়না বিবির পালা’। ছাপা হয় সমরেশ বসুর উপন্যাস। বাবা ফোন করলেন আর উনি বললেন আমি পাঠিয়ে দিচ্ছি। বাবার মধ্যে এই ক্যারিশমাগুলি ছিল। বাবার মধ্যে কোনো হিপোক্রেসি ছিল না। সবচেয়ে দুঃখ পেতেন, যখন দেখতেন তরুণ কবিরা না পড়েই লিখতে শুরু করে। তরুণদের তিনি বলতেন, দেখো, রফিক আজাদ কত পড়ে, সৈয়দ শামসুল হক কত পড়ে। তিনি আসলে চাইতেন তরুণরা সঠিকভাবে বেড়ে উঠুক। আসলে ব্যাপারটাও তো তাই। আমি যদি বিশজন কবির কবিতা পড়ি, তখন স্বাভাবিকভাবেই তার শব্দ জ্ঞান ও বুনন কৌশল সম্পর্কে আমার ধারণা হবে। তখন লিখতে গেলে তার প্রতিফলন ঘটবে। তিনি সব সময় দেশ জাতি বঙ্গবন্ধুকে গুরুত্ব দিতেন। তিনি খুব ধার্মিক ছিলেন, কিন্তু প্রকাশ করতেন না। তিনি সব সময় নামাজ পড়তেন না। মাঝে মাঝে পড়তেন। একদিন শামসুর রাহমান সাহেব বাবাকে জিগ্যেস করলেন, আপনি কি গডকে বিশ্বাস করেন? বাবা বললেন, কী বলেন রাহমান ভাই, আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি।

বাবা প্রচন্ড রাজনীতি সচেতন ছিলেন। যখন মৌলানা ভাসানীর সভা চলতো মা বলতেন, তুমি বাস থেকে নেমে যেয়ো। বাবা নেমে যেতেন। বাবা প্রচন্ড ভালবাসতেন। পরবর্তীতে দুঃখ পান বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তার আচরণের জন্য।

বাবা সম্পর্কে আমার ধারণা হতেই আমি বুঝতে পারি, আমার বাবা সম্পূর্ণ আলাদা একজন মানুষ, প্রচন্ড নীতিবান, সৎ, আদর্শবান। টাকা এবং ক্ষমতা তাকে কখনো স্পর্শ করে না। তিনি তার নিজের মতো করে নিজের কাজ করতেন।

অনেকে হয়তো মনে করেন, উনি অনেক ধনি, অনেক স্টাইলিশ। এসবের পিছনে অবদান আমার মা’র। মা তাকে পেশাক আশাক কিনে দিতেন, তাকে দিয়ে স্টাইল করাতেন। ভাল কোট শার্ট টাই কিনে দিতেন। বাবা খুব শৌখিন, ভাল পোশাক পরতে পছন্দ করতেন।

তিনি বন্ধুবৎসল ছিলেন। প্রায়শ পায়চারি করতেন, লোকজন আসছে না দেখে। তিনি লোকজনকে আপ্যায়ন করতে পছন্দ করতেন। উনি আসলে কখনো আপস করতেন না। একবার ফজল শাহাবুদ্দিন তাকে বললেন, ‘তুমি চলে এসো, তুমি বারিধারায় জায়গা পাবা।’ তখন বাবা উত্তর দিয়েছিলেন, ‘আমি এক রসুল মানি আমি এক বঙ্গবন্ধু মানি। আমি আপস করতে পারবো না।’ তো যাই হোক খালা যখন অন্তরীণ ছিলেন, তখন বাবা মাকে ডালা ভর্তি বাজার করে দিতেন। এরশাদের গোয়েন্দারা আমাদেরকে দিতে দিতো না। নানার গাড়ির নাম্বার ছিল ঢাকা ক ১৭৮। ধানমন্ডি লেকের কাছে গাড়ি রেখে আমরা হাসিনা খালার বাড়িতে সেগুলো দিয়ে আসতাম। খালা খুব বিশ্বাস করতেন আব্বাকে। এবং হাসিনা খালা আব্বাকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুর জীবনী লেখার, আব্বা শুরু করেছিলেন লেখা। লেখাটা আছে। বাকিটা আমি টেনে নেবো। বঙ্গবন্ধু এমন এক মহীরূহ তাঁর কাজটা যেনতেনভাবে করলে হবে না। এটাকে অনেক সুন্দর করে, সিরিয়াসলি করতে হবে। আব্বা ৩৬ পৃষ্ঠা পর্যন্ত লিখে রেখে গিয়েছিলেন। এটা এমন নয় যে, উনি জন্মগ্রহণ করলেন, তারপর কী করলেন। হঠাৎ করে শুরু হয়নি। সেই পলাশী যুদ্ধ থেকে শুরু হয়েছে। তারপর সূর্যসেন, প্রীতিলতা, ক্ষুদিরাম এদের দিয়ে আস্তে আস্তে শুরু হলো। এটা আমার কাছে আছে। আমি হাসিনা খালার কাছ থেকে অনুমতি নিয়েছি। তিনি বলেছেন, তুমি কাজটা শেষ করো। আমি মনে করি আমার বাবা খুব আদর্শবাদী আত্মমগ্ন মানুষ। খুব নির্জন। উনি কোনো পুরস্কারের ধার ধারতেন না। উনি বলতেন, আমি এসবে বিশ্বাস করি না। আমি আমার কাজ করি। আমার কাজ কবিতা লেখা। বলতেন, কর্ম করো ফল আপনা আপনি চলে আসবে।

উনি লোকজন খুব পছন্দ করতেন না। খুব পছন্দের লোকজন ছাড়া তেমন কারো সাথে মিশতেন না। আমি খুব রাজনীতি পছন্দ করতাম। ক্লাস সেভেন থেকে আওয়ামী লীগ করতাম। উনি সুধীন্দ্রনাথ থেকে উচ্চারণ করে বলতেন, সহে না সহে না প্রাণে জনতার জঘন্য মিতালি। তুমি এগুলো করলে করো, দেশের দুর্দিনে কাজ করো, তবে বই পড়ো। বাবার বইগুলোর ৫০ ভাগ পড়লেও যে আমার কী পরিমাণ জ্ঞান হতো তা এখন আমি ধারণা করতে পারি। আমি অত পড়ি না তবে এখন আমি বই পড়ি, পড়তে পছন্দ করি। বাবার এত যে বইয়ের ভান্ডার, এমন সংগ্রহ হয়তো খুব বিরল লোকের আছে।

বাবা খুব স্নেহবৎসল ছিলেন। আমাকে আজিমপুর মেলায় নিয়ে যেতেন। আবার মেলা থেকে নিয়ে আসতেন। খেলনা ডুগডুগি নিয়ে আসতেন। প্রথম যখন কোণ আইসক্রিম আসলো আমাকে তোপখানা রোডের ওখানে নিয়ে গেলেন। আইসক্রিম কিনে দিলেন। তারপর নিজের কবিতার সম্মানী দিয়ে আমাকে স্যুটের কাপড় কিনে দিলেন। যখন ডালাস ছিলাম, বাবা আমাকে দশটা করে শার্ট পাঠাতেন। এটা ওটা পাঠাতেন। সব বাবার কবিতার টাকা দিয়ে। দশটা থেকে আমি বন্ধুদের দিয়ে দিতাম ৮টা। বাবা বলতেন, দাও ভালো, তবে আমি কষ্ট করে কবিতা লিখে, বিলের টাকা দিয়ে তোমাকে ওসব পাঠাই। কাউকে দিলে খুব কষ্ট লাগে। বঙ্গবন্ধুর প্রতি ওনার অগাধ ভালবাসা ছিল। তবে উনি খুব মর্মাহত হতেন, যখন আওয়ামী লীগ খুব ভুল করতো। সবাই এসব প্রকাশ করত, কিন্তু বাবা এসব নিয়ে কথা বলতেন না। প্রকাশ করতেন না।

বঙ্গবন্ধু মারা যাবার পরে একজন কবির সঙ্গে ওনার দেখা হয়। শাপলা চত্বরে। তিনি বাবাকে বললেন, তোমাকে এত উদভ্রান্ত দেখাচ্ছে কেন? বাবা বললেন, বঙ্গবন্ধু চলে গেছেন। তো ওই কবি বললনে, চলে গেছে তো তোমার কী হয়েছে! তার নামও বলতে পারি। তো অনেক কবির ব্যাপারস্যাপার দাঁড়িয়েছে এই রকম। আপনারা ছাপুন আর না ছাপুন আমাকে এসব কথা বলতে হবে। অন্যের জানা দরকার। তারপর রাহমান চাচা? রাহমান চাচা আপস করেছেন। তিনি এরশাদের কাছ থেকে জায়গা নিয়েছেন। এবং পরে তার ভাইয়ের কাছে সেই জমি বিক্রি করে দিয়েছেন। আব্বা কিন্তু এটা করেননি। আমাদের কিন্তু একটা জমিও নেই। বাবা বলতেন, টাকাপয়সা বড় কথা নয়। মনের ঐশ্বর্যই বড়। টাকা কখনো থাকবে না। তোমার সৃষ্টি থাকবে। মনে কখনো দীনতা রেখো না। মা বলেন, তুমি সৎ মানুষ হয়ে বেঁচে থাকবা। আমি কিন্তু খুব সফল মানুষ না। আমি এমবিএ করেছি। আমার মা এতেই খুশি। আমি চ্যারিটি করবো। আমি মানুষকে সহযোগিতা করতে খুব পছন্দ করি। আমার একটা আই ফোন থাকলেই আমি খুশি থাকি। আমি ফেসবুকে লিখি। বই পড়ি। এটাই আমার জগৎ। মা বলেন, একজন ভাল মানুষ হয়েছ, বাবার মূল্যায়ন এটাই। বাবা নীতির ব্যাপারে কোনো আপোস করতেন না। তিনি খুব স্পষ্টবাদী ছিলেন। পুরস্কারের ব্যাপারে কোনোদিন কাউকে অনুরোধ করেননি। আমি আমার বাবাকে নিয়ে গর্বিত। তিনি সুপুরষ। বাংলাদেশে মর্যাদাসম্পন্ন কোনো কবি যদি থাকেন, তো সেক্ষেত্রে আমি আবার নাম বলব সবার আগে। বাবা বন্ধুদের খুব ভালবাসতেন। তিনি কোনো কোনো বন্ধুর দ্বারা চরম উপেক্ষিতও হয়েছেন। বাবা এক বন্ধুকে খুব ভালবাসতেন, কিন্তু তিনি সব জায়গা থেকে বাবার নামটা কেটে দিতেন। পঞ্চাশ বছরের প্রেমের কবিতা থেকে বাবার নাম একজন কবি (?) কেটে দিয়েছেন। এসব করলে বাবার নাম ম্লান হবে না। বাবা বেঁচে থাকবেন তার কবিতায়, তাঁর সৃষ্টিতে। তার যে অসামান্য কাজ, এমন কাজ বাবার মতো কোনো বিরল কবিই করতে পারেন। দিন যত যাবে জীবনানন্দ দাশের মতো আমার বাবা উজ্জ্বলতর হবেন। তিনি বেঁচে থাকবেন, তরুণ প্রজন্মের কাছে, আগামি দিনের পাঠকের কাছে। তার কবিতাই তাকে এ জায়গা করে দিয়েছে। আমি এমন বাবার সন্তান হতে পেরে গর্বিত।

  • সিকদার আমিনুল হক সম্পর্কে

    বাল্যবন্ধু পীযূষকান্তি সাহা

    সাক্ষাৎকার

    newsimage

    [কবি সিকদার আমিনুল হকের ডাকনাম দীপক। দীপকের বাল্যবন্ধু পীযূষকান্তি সাহা। বর্তমানে তিনি

  • আজ সিকদার আমিনুল হকের ৭৭তম জন্মদিন : শ্রদ্ধাঞ্জলি

    সিকদার আমিনুল হকের গদ্য রচনা

    ফারুক মাহমুদ

    newsimage

    সিকদার আমিনুল হক মূলত কবি। ‘বিপুলপ্রজ’ কবি হিসেবে তাঁর খ্যাতিও রয়েছে। বেঁচে

  • মহাদেব সাহার কবিতা

    newsimage

    [মহাদেব সাহা ষাটের দশকের অত্যন্ত জনপ্রিয় কবি। তিনি আধুনিক বাংলা কবিতায় একটি

  • নিরাপত্তা রক্ষী

    এম নাঈম

    newsimage

    লাশটি মাটির ওপর মুখ থুবড়ে পড়ে আছে আর গ্রামের মানুষরা চারিদিকে জটলা

  • অজানার ডাকে

    কণিকা রশীদ

    newsimage

    গত সতের দিন ধরে অন্ধ রজব আলী বসে আছে বকুল গাছের তলায়।

  • মহাস্থানের হাজার বছর

    সৌম্য সালেক

    newsimage

    নাটককে প্রাচীন কলাশাস্ত্রবিদগণ ‘দৃশ্যকাব্য’ হিসেবে আখ্যায়িত করছেন। নাটকের মধ্যে বিশেষ কালপ্রবাহ আসতে

  • এ সংখ্যার কবিতা

    newsimage

    চতুর্দশপদী চিঠি মার্গারিটার কাছে ফাউস্ট মাহফুজ আল-হোসেন আমায় তুমি ক্ষমা কোরো না গ্রেচেন, আর করবেই