menu

আমার আছে বই ৮

মালেকা পারভীন

  • ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০১৯
image

গতবার ইরানি কুর্দিশ লেখক বেহরুজ বুচানি সম্পর্কে লিখেছিলাম। অনেকেই বুচানি বা তাঁর অস্ট্রেলিয়ার ২০১৯ সালের শীর্ষ সাহিত্য পুরস্কার প্রাপ্তির বিষয়ে তাদের অজ্ঞতার কথা জানালো। বিশ্বসাহিত্যের খবর মোটামুটি রাখবার চেষ্টা করি বটে। তবে দুনিয়ার সব প্রান্তের সাহিত্যের খবর জানা সম্ভব নয়, সেটাও মানি। কাজেই তাদের এই না জানাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ কোন ব্যাপার নয়। যেটা গুরুত্বপূর্ণ তা হলো আমার লেখাটি বুচানি সম্পর্কে সাহিত্যপ্রেমীদের আগ্রহ উস্কে দিয়েছে। এটাই আমার বড় প্রাপ্তি।

সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকের সাহিত্য পাতায় বিদেশি সাহিত্য সম্পর্কিত দুটি লেখা পড়ে ভালো লেগেছে। এর মধ্যে একটি লেখায় টিএস এলিয়ট এবং মির্জা গালিবের কাব্যে যথাক্রমে এপ্রিল মাস এবং হেমন্ত কাল সম্পর্কে প্রচলিত জনপ্রিয় ধারণার বিপরীত অনুভূতি উপস্থাপনের তুলনামূলক আলোচনা করা হয়েছে। আরেকটি লেখায় বিশ্বসাহিত্যের কয়েকটি বই সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে যেগুলো সাহিত্য মানের বিচারে শিল্পোত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও ঠিক সেভাবে পাঠকের দৃষ্টিগোচর হয়নি। এমন অনেক বই আছে তা বলাই বাহুল্য। এখানে যে চারটি বইয়ের কথা বলা হয়েছে, তার মধ্যে জর্জ অরওয়েল এর ডাউন অ্যান্ড আউট ইন প্যারিস অ্যান্ড লন্ডন বইটি আমি কয়েক বছর আগে ব্রাসেলসে থাকার সময় পড়ি। শুধু পড়া নয়, বইটি আমাকে এতোটাই মুগ্ধ করে যে আমি এর একটি রিভিউ লিখে ফেলি যেটি পরবর্তীতে ঢাকার ইংরেজি দৈনিকের সাহিত্য পাতায় প্রকাশিত হয়।

এর আগে অরওয়েল এর বিখ্যাত ‘অ্যানিম্যাল ফার্ম’ বইটি অনার্সের পাঠ্যভুক্ত থাকায় তখনই তা পড়ার সুযোগ হয়। আর তাঁর ১৯৮৪ উপন্যাসটি তো বর্তমানের উইকিলিক্সের যুগে মহাকাব্যিক উচ্চতায় উন্নীত হয়েছে এর বিস্ময়কর ভবিষ্যৎ ভাবনার গুণে। ‘ডাউন অ্যান্ড আউট ইন প্যারিস অ্যান্ড লন্ডন’ বইটি পড়ার অব্যবহিত পরে আমি ব্রাসেলসের প্রসিদ্ধ ওয়াটারস্টোনস নামের বইয়ের দোকান থেকে অরওয়েল-এর সমগ্র সাহিত্যকর্মের সংকলনটি কিনে ফেলি কোন একসময় পড়বো বলে।

তো অনার্সে আমাদের পাঠ্যসূচিতে এলিয়টের ‘দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড’ থাকার সুবাদে বহু আগেই তা পড়া হয়েছে। এখনো কারণে-অকারণে এই পোড়ো ভূমির প্রাসঙ্গিকতা চিন্তা-কথা-লেখায় এসে হামলে পড়ে। প্রতি বছর এপ্রিল মাস শুরু হতেই সেই কাব্যগ্রন্থের বিখ্যাত প্রথম কয়েক পংক্তি এসে মনের জানালায় আঘাত করে যায় না এমন হয় না। কী অসাধারণ! যেখানে ইউরোপের দীর্ঘ শীত মৌসুমের তীব্র কষ্টকাল পেরিয়ে সবাই বসন্তের আগমনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতে থাকে, সেখানে কবি সেই বসন্তের শুভ প্রারম্ভের ক্ষণটিকেই নিষ্ঠুরতম সময় হিসেবে বর্ণনা করছেন! কেন ওই ব্যাখ্যায় এখন আর না যাই।

কিন্তু, আমার মনে এ মুহূর্তে যে কারণে ক্ষুব্ধ এক ঝড় বইছে, ভাবতে গিয়ে দেখি, আজ থেকে প্রায় শত বছর আগে অঙ্কিত (১৯২২ সালে প্রকাশিত) ওই পোড়ো ভূমির চিত্র আজকের পারিপার্শ্বিক সামাজিক অবস্থার জন্য সমভাবে প্রযোজ্য। আমি যখন ওয়েস্ট ল্যান্ডের পরিত্যক্ত জমিতে আরো একবার জীবনের নতুন অর্থ খুঁজে পেতে উদগ্রীব হলাম, ঠিক তখন লন্ডনের গার্ডিয়ান পত্রিকার একটি নিবন্ধের শিরোনামে চোখজোড়া আটকে গেলো চুম্বকের শক্তিতে।

আগেও একাধিকবার বলেছি (বলতে যেহেতু ভালো লাগে), আমার ক্ষেত্রে এই ঘটনা বহুবার ঘটেছে। সবসময় নয়, অনেক সময়। কোন বিশেষ বিষয় নিয়ে যখন আমি ভাবতে থাকি, সেই একই বিষয়ের সাথে জড়িত একাধিক কিছু আমার চোখের সামনে এসে ধরা পড়ে আর আমি ঘটনার কাকতালীয় যোগাযোগে বিহ্বল হয়ে থাকি বেশ কিছুক্ষণ। ঘোর কেটে গেলে বেশিরভাগ সময় সেই ঘটনার কিছুটা লিখে রাখি। এবারও তার ব্যতিক্রম হলো না।

আমার বর্তমান লেখায় ওয়েস্ট ল্যান্ড সম্পর্কিত সামান্য অংশটুকু লিখে শেষ করে আরেকটি বিষয়ের তথ্যানুসন্ধানে অনলাইনে যেতেই খবরটিতে দৃষ্টি পড়ে গেলো। সাম্প্রতিক কালের আন্তর্জাতিক রাজনীতির আলোচনায় যুক্তরাজ্যের ব্রেকজিট অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন থেকে বৃটেন কীভাবে বের হয়ে যাবে- কোন চুক্তিসহ নাকি চুক্তি ছাড়াই- সেই ইস্যুতে জটিল আলোচনা দীর্ঘদিন ধরে দোদুল্যমান অবস্থায় ঝুলছে। বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে এই একটিমাত্র ইস্যু সামাল দিতে গিয়ে রীতিমতো গলদঘর্ম হচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রিত্ব প্রায় যায় যায় অবস্থা।

অতি চর্বণে বিষয়টি এখন আমার কাছে পানসে হয়ে পড়েছে। এতো জল ঘোলা হয়েছে বা এখনো হচ্ছে যে ব্যাপারটি নিয়ে এখন আর আগের মতো আগ্রহ বোধ করি না। ব্রেকজিটের পক্ষ-বিপক্ষ-উভয় পক্ষের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি আশু সমাধানই এখন একমাত্র চাওয়া। যা হোক, আদার ব্যাপারির এতোসব জাহাজের খবর নিয়ে লাভ নেই। কিন্তু, ব্রেকজিটের মতো এমন শুষ্কং কাষ্ঠং রাজনৈতিক বিষয়ের আলোচনাতেও যদি কবিতার মতো সংবেদনশীল বিষয়ের অত্যাশ্চর্য উল্লেখ ঘটে, তখন আমার মতো সাহিত্য প্রেমিককে একটু নড়েচড়ে বসতে হয় বৈকি।

তবে এটিও ঠিক, রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু তো সেই মানুষকে ঘিরেই যে মানুষের কাছে কবিতা, বা সার্বিকভাবে সাহিত্য, এর আবেদন চিরকালীন। বিজ্ঞান, রাজনীতি, দর্শন, সমাজতত্ত্ব, যাই বলা হোক না কেন, দিনশেষে মানুষকে সাহিত্যের কাছেই ফিরে আসতে হয়। সেরকমভাবেই ফিরে এসেছেন বা আসতে চেয়েছেন বৃটেনের রক্ষণশীল রাজনীতিবিদগণ যারা চলমান ব্রেকজিট আলোচনা ইস্যুতে ভীষণ উত্তপ্ত সময় পার করছেন।

গার্ডিয়ান পত্রিকার নিবন্ধটির শিরোনামের বাংলা অর্থ করলে দাঁড়ায়: ব্রেকজিটকামীদের হঠাৎ কাব্যপ্রেমের সাথে অশুভ (!) জাগরণের ইঙ্গিত। নিবন্ধকার এডওয়ার্ড সাজেন লন্ডনের কিংস কলেজের সাংস্কৃতিক ইতিহাসবিদ। চলতি বছরের এপ্রিলের একেবারে প্রথম দিকে ব্রেকজিট আলোচনা আকস্মিকভাবেই একটি অপ্রত্যাশিত কাব্যিক মোড় নেয় যখন যুক্তরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল জিওফ্রে কক্স রেডিও ফোর এ এলিয়টের ওয়েস্ট ল্যান্ড থেকে নির্বাচিত অংশ পাঠ করার পাশাপাশি ডব্লিউ বি ইয়েটস-এর বিখ্যাত কবিতা ‘সেইলিং টু বাইজানটিয়াম’-এর প্রতিও শ্রোতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। অন্যদিকে, আরেক বৃটিশ রাজনীতিবিদ মার্ক ফ্রাঁসোয়াও অনুরূপ এক বক্তৃতায় আলফ্রেড টেনিসনের বিখ্যাত ইউলিসিস কবিতা থেকে উদ্ধৃত করেন।

সঙ্গত কারণেই আমার এ লেখায় সাজেনের পুরো নিবন্ধের বক্তব্য উপস্থাপন করা সম্ভব নয়। তবে তিনি যা বলতে চেয়েছেন তার সারাংশ তুলে ধরবার চেষ্টা করছি। বৃটেনে শিল্প চর্চা খাতে গত এক দশকের নির্মম বাজেট সংকোচনের প্রেক্ষাপটে রক্ষণশীল রাজনীতিবিদদের এই হঠাৎ কাব্যপ্রীতি খুবই অসামঞ্জস্যপূর্ণ ঠেকছে। তবে যা আপাত প্রাসঙ্গিক বলে অনুভূত হয়, উল্লিখিত প্রতিটি কবিতাই এক বিশেষ আঙ্গিকের সুপ্রাচীন কাব্যরীতি অনুসরণ করে রচিত। সাহিত্য সমালোচকগণ এ ধরনের রীতিকে আত্ম-পরিচয় অনুসন্ধান বা পুনঃআবিষ্কারমূলক রচনার একটি বিশেষ রূপ হিসেবে চিহ্নিত করেন। এ ধরনের রচনায় বিলুপ্তপ্রায় কোন রাজনৈতিক/নৈতিক শক্তির হারানো মর্যাদা ও অস্তিত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে একজন মহাকাব্যিক বীর/নায়ক/যোদ্ধা প্রায় তার সমপর্যায়ের এক অশুভ শত্রু/শক্তিকে পরাজিত করার মানসে অথবা ‘পবিত্র পাত্র’ আবিষ্কারের মতো কোন শুভযোগের সন্ধানে বিপদসঙ্কুল এক কঠিন যাত্রায় অবতীর্ণ হোন।

দ্রষ্টব্য বৃটিশ রাজনীতিবিদগণ কর্তৃক উল্লিখিত কবিতাগুলোর উচ্চারণ থেকে ধরে নেওয়া যায় যে, তারা ব্রেকজিট ইস্যুকে ওইসব আত্ম-পরিচয় অনুসন্ধান বা পুনঃআবিষ্কারমূলক রচনার একটি সমসাময়িক প্রকার হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করেছেন। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ত্যাগের পটভূমিতে ব্রেকজিটিয়ারগণ পুরাণে বর্ণিত অসমসাহসী বীর পুরুষের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন যেখানে তারা আন্তঃজাতীয়তাবাদী (ট্রান্স-ন্যাশনাল) সর্বস্তরভেদী ইউরোপীয় আমলাতন্ত্রের শত মাথাযুক্ত হাইড্রা দৈত্যের সাথে ভীষণ মল্ল যুদ্ধে শামিল। তুলনা বটে!

এ ধরনের বীর রসের তুলনার জন্য সাহিত্যই একমাত্র আশ্রয় হতে পারে। এলিয়ট, টেনিসন এবং ইয়েটস-এর মতো ঐ সমস্ত বাক্যবাগীশ বুদ্ধিমান রাজনীতিবিদগণ অতীতের গৌরবোজ্জ্বল ভূমি খুঁড়ে তাদের জাতিসত্তার নবজাগরণের স্বরূপ উদ্ঘাটনে তৎপর। ব্রেকজিটকামীরা প্রথম এবং দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে বৃটেনের বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার ইতিহাসের ধুন গেয়ে মনে করিয়ে দিতে চান যে, একসময় বৃটিশ মানেই বোঝাতো যাবতীয় শৌর্য-বীর্য-নৈতিকতা আর প্রজ্ঞার প্রতীক। বৃটেনের সেই হারানো ঐতিহ্যকে, সেই এককভাবে শক্তিময় বৃটেনকে, তারা আবার ফিরে পেতে চান। প্রসঙ্গক্রমে নিবন্ধে আরও কিছু ব্যাখ্যার অবতারণা করেছেন লেখক। উল্লিখিত কবিতাগুলির নায়কদের/বর্ণনাকারীদের চিন্তা-ভাবনার প্রেক্ষিতে বর্তমান সময়ের ব্রেকজিটিয়ারদের আশা-আশঙ্কার তুলনামূলক বিচার করেছেন, এর ভবিষ্যতের একটি সম্ভাব্য ছবি এঁকেছেন।

নিবন্ধটি পড়তে গিয়ে একই ধরনের আরো দুয়েকটি লেখা চোখে পড়লো। সময় পেলে পড়ে ফেলা যাবে। রাজনীতি আমার বিষয় নয়। ব্রেকজিট ইস্যু নিয়ে এতো লেবু কচলানো হয়েছে যে এর স্বাদ ইতিমধ্যে তিক্ততায় পরিণত হয়েছে। কেবল একটি খটমট রাজনৈতিক বিষয়ের আলোচনাতেও যে শত বছরের পুরোনো কবিতার তাৎপর্য প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠতে পারে, আমাকে শুধু এই বিষয়টিই আন্দোলিত করেছে। বরাবরই করে। তখন নতুন করে আবার ধ্রুপদী সাহিত্যের চিরন্তন আবেদনের কথা স্মরণ করি। মনে হয়, ভাগ্যিস, প্রকৃত সাহিত্যের রস আস্বাদনের দুর্লভ গুণটি জন্মগতভাবে অর্জন করবার পাশাপাশি একে ভালোভাবে লালন করে আয়ত্ত করতে পেরেছিলাম। তা না হলে বর্তমান সময়ের অগ্রহণযোগ্য অসহনীয় পৃথিবীতে বেঁচে থাকাই কঠিন হতো।

অবশ্য যখন আবার এলিয়টের পোড়ো জমির কথা মনে পড়ে, তখন ভাবি, সবসময়ই পৃথিবীতে একটি করে ওয়েস্ট ল্যান্ড ছিল/থাকে। কবিরাই কেবল সেই ঊষর ভূমিতে কবিতার ফুল ও ফসল ফলিয়ে এই একঘেয়ে জীবনটাকে সহনীয় করে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যান। বেঁচে থাকবার তাগিদে। কবিতার প্রয়োজন এখানেই।

প্রিয় লেখক সমারসেট মম-এর একটি বিখ্যাত মন্তব্য উল্লেখ করে আজকের লেখার ইতি টানতে চাই: কবি যখন রাস্তা দিয়ে যান, গদ্যকার তখন একপাশে সরে গিয়ে তাকে জায়গা ছেড়ে দেন। তা দিতে হয় বৈকি! যখন পড়ি ওয়েস্ট ল্যান্ড-এর সেই বিখ্যাত প্রারম্ভিক পংক্তি, ‘এপ্রিল নিষ্ঠুরতম মাস’, অথবা ইউলিসিস-এর সেই অমর বাণী, ‘জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আমি উপভোগ করে যেতে চাই’, অথবা ইয়েটস-এর বৃদ্ধ নায়কের সেই অসহায় আহাজারি, ‘বৃদ্ধদের সামান্য মূল্যও নেই, ছড়ির ওপর ঝুলে থাকা ছেঁড়া কোট যেন তারা’, তখন কবিতার গুটি কয়েক শব্দে হাজার কথা বলার শক্তি টের পাওয়া যায়। কবিতার শ্রেষ্ঠত্ব এখানেই।

  • নজরুলের ‘বিদ্রোহী’

    মঈনউদ্দিন মুনশী

    newsimage

    ‘বিদ্রোহী’ নজরুল ইসলামের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবিতা। ‘বিদ্রোহী’ যখন প্রথম প্রকাশিত হয়, তখন

  • বিশ্বসাহিত্যের সাম্প্রতিক প্রবণতা

    ইকোক্রিটিসিজম ও ইকোফিকশন

    মাহফুজ আল-হোসেন

    newsimage

    ইকোলজি বিষয়টি মানুষের পরিবেশ সচেতনতার মধ্য দিয়ে একটি শাস্ত্রে রূপান্তরিত হয়েছে ঊনবিংশ

  • হেনরি জেমস

    দুঃসাধ্যের স্থপতি

    কামরুল ইসলাম

    newsimage

    আমেরিকায় জন্মগ্রহণকারী ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক হেনরি জেমস (১৮৪৩-১৯১৬) তাঁর বেশ কিছু লেখার মধ্য

  • ওসামা অ্যালোমারের অণুগল্প

    অনুবাদ: ফজল হাসান

    newsimage

    লাথি দু’জন প্রশ্নকর্তা কয়েদীকে কক্ষের এক কোণে জবুথবু অবস্থায় ফেলে যায়। কয়েদীর ক্ষত

  • স্লোভেনিয়ান কবি গ্লোরিয়ানা ভিবারের সাক্ষাৎকার

    ‘বাংলাদেশ আমাকে গোলাপের কথা মনে করিয়ে দেয়’

    newsimage

    সম্প্রতি একুশে বইমেলায় মার্কিন প্রবাসী বাংলাদেশী কবি ও অনুবাদক রাজিয়া সুলতানার সঙ্গে

  • অসম্পূর্ণ গল্প (পর্ব ৪)

    মুজতাবা শফিক

    newsimage

    (পূর্ব প্রকাশের পর) সপ্তম অধ্যয় মুমিনের ক্লাস ফাইভের বৃত্তি পরীক্ষার সময়, আব্দুল হক সাহেব

  • নির্মম যম

    অনুবাদ : শামসুজ্জামান হীরা

    newsimage

    আমি এক দন্ডপ্রাপ্ত ভবঘুরে আত্মা। এক অস্থির আত্মা। এখানে সেখানে অনবরত ঘুরে

  • কামরুল হাসানের কবিতা

    newsimage

    উনিশ বছর একটি পাখির আর কতটুকু বয়স? উনিশ বছর অনাঘ্রাত রোম নিয়ে বসন্তের বাগানে

  • পথচারী

    রে ব্র্যাডবেরি

    newsimage

    নভেম্বরের রাত আটটায় কুয়াশা ঢাকা শহরের নীরবতায় ডুব দেওয়া, কংক্রিটে মোড়া ফুটপাথে

  • চয়ন শায়েরীর কবিতা

    newsimage

    স্কিজোফ্রেনিয়া : দুই একটা হাত হ্যাঁচকা টানে মগজ বের করে আনে গাছ গজিয়ে ওঠে

  • এ সংখ্যার কবিতা

    হৃদযন্ত্র নভেরা হোসেন তোমার ঘরের পাশেই আরেকটি ঘর তার পাশে আরেকটি তার