menu

অসীম সাহার কবিতা

  • ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৯
image

অমৃত-গরল

জ্যোৎস্নাকে ফেরাতে নদী ছুটে যাচ্ছে সমুদ্রের কাছে!

টাইটানিক গতি তার।

ডুবে যাচ্ছে বেদনার তীব্র অনুরাগ।

বেকুব বাতাস এসে ফণা তুলছে কল্লোলিত সাম্পানের গায়

তরমুজের ফালির মতো নিস্তরঙ্গ

আলোর বল্লম ভাঙছে সমুদ্র-জোয়ার!

বালুচর উড়ে যাচ্ছে আকাশের দৃষ্টিসীমানায়।

এ এক বিস্ময় বটে!

পাখিদের ডানার সংকট নিয়ে গবেষণারত

আজ শত শত অজানা আকাশ।

আকাশের পিএইচডি নেই!

তা হলে কী দাম আছে তার?

কিছুই না থাকে যদি

তবে তাকে কাজ দাও

ঊর্ধ্বপানে নির্বাক তাকিয়ে থেকে

আকাশ-সঙ্গম নিয়ে তৈরি হোক রিসার্চ ওয়ার্ক;

মোটর গ্যারেজের নিচে কর্মরত টোকাইয়ের

কাছ থেকে অভিজ্ঞতা সঞ্চিত হোক;

পাঠ হোক সীতানাথ বসাকের আদর্শলিপি।

সব সত্য পূর্ণ হোক, নদী যাক সমুদ্র-সঙ্গমে।

পৃথিবীর নীল রঙে পান হোক অমৃত-গরল!

বর্ণসংকট

দৃশ্যমান অক্ষরেরা জড়াজড়ি করে আছে সূর্য ও আকাশের মতো।

মিলনসন্ধির রাতে অক্ষরের স্বরবর্ণ-ব্যঞ্জনবর্ণ নেই!

কড়ি ও কোমলের পঞ্চম ধ্বনির কাছে পরাজিত সকল পৌরুষ!

এ এক আশ্চর্য ঝংকার!

নূপুরের শৃঙ্গারে নেচে ওঠে ষাটোর্ধ-বয়সীর যৌবনের ধার!

শব্দ ও বর্ণেরও ভীমরতি আছে।

অক্ষরের মাঝখানে শরীরী সংকেত নিয়ে ইশারায় ডাক দিতে

কসুর করে না আজো অন্য কোনো সুনীতি কুমার!

দুর্ভাগ্যের সীমারেখা কিছুতেই পেছন ছাড়ে না!

প্রতিদিন শুদ্ধতর অভিধানে নিমগ্ন থেকেও

মাধবীর পাতাগুলো ঝরে পড়ে বিষধর সাপেদের গায়।

প-বর্গীয় ধ্বনির ভেতর থেকে ফুঁসে উঠে

যজ্ঞহীন নিরালা বাসরে কোনো মেঘনাদ

ম-বর্ণকে কেড়ে নিতে চায়!

অসহায় সীতানাথ নিরবে তাকিয়ে থেকে

একাগ্র ছেনি হাতে ছুটে যায় পঞ্চাননের কাছে!

হরিচরণ ও সীতানাথ যুগলবন্দি গানে

পৃথিবীতে জন্ম দেয়

ভাষাহীন মানুষের আদর্শলিপির মতো

বীজগণিতের এক নব্য-ধারাপাত!

আমার সকল প্রেম

আমার সকল প্রেম চায়ের পেয়ালা হয়ে

নেমে এলো প্রথাগত চুমুকের ফাঁদে।

মাতাল জ্যোৎস্না এসে ছুঁয়ে গেলো

সীতানাথ বসাকের সবগুলো পাতা!

হরিচরণের কাছে কোনোদিন

ছিলো নাকি তার কোনো ঋণ?

কেন তার মর্মমূলে জোনাকপোকারা সব

উড়ন্ত বল্লমের মতো দ্রুত ছুটে যায়?

শুশুকের পিঠের মতো উল্টো আবেশে কেন

এলিয়ে পড়তে থাকে পরাধীন অক্ষরের

প-বর্গীয় ধ্বনির প্রলাপ?

কিছুই বোঝে না এই প্রলাপের গাড়ি!

স্টেশন ত্যাগ করে চলে গেলে

সম্মুখের জংশন খুঁজে পেতে

স্বরলিপি ভেদ করে

জীবনানন্দের কাছে ছুটে যায়

মাধবীলতার মতো ম-বর্ণের মহাপ্রাণ ধ্বনি।

  • হাসান আজিজুল হকের সাক্ষাৎকার

    ‘আমি যা কিছু লিখেছি-
    মাটি থেকে পেয়েছি’

    সাক্ষাৎকার গ্রহণ : ওবায়েদ আকাশ, কাজী রাফি, খন্দকার মুনতাসীর মামুন

    newsimage

    ওবায়েদ আকাশ : লেখকদের মধ্যে একটা ব্যাপার দেখা যায় যে, এ কাজটি

  • বিপুল জীবনানন্দ

    আজও অসম্পূর্ণ উত্তরপত্রের এক সুদীর্ঘ প্রশ্নপত্র

    এমিলি জামান

    newsimage

    ১৯৯৯ সনে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সর্বাধিক পাঠকপ্রিয় শক্তিধর কবি জীবনানন্দের জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপিত

  • বইমেলার পরিবেশ ও সংস্কৃতির সমৃদ্ধি

    ওবায়েদ আকাশ

    newsimage

    বইমেলা যখনই কোনো রাজনৈতিক সুস্থ পরিবেশে অুনষ্ঠিত হয়েছে; তখনই এর ফলাফল নিয়ে

  • মিনার মনসুরের কবিতা

    আমার আজব ঘোড়া

    newsimage

    গল্পগুলোর ডানা ছিল ঘোড়াটিই আমাকে নিয়ে গিয়েছিল রূপকথার সেই মাঠে। দিগন্তছোঁয়া তার পৌরুষ।

  • ধারাবাহিক উপন্যাস ৬

    ‘মৌর্য’

    আবুল কাসেম

    newsimage

    পূর্ব প্রকাশের পর মন্দাকিনী মহামূল্যবান একজোড়া জুতো পরিয়ে দিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়াতে বললো।

  • ক্যান্ডি

    মূল: নয়নরাজ পান্ডে
    অনুবাদ: ফজল হাসান

    newsimage

    জেলার প্রধান কার্যালয়ের সামনে পাজেরো গাড়ি থেকে নেমে আমার ব্যক্তিগত সহকারী এবং

  • মহাদেশের মতো এক দেশে ৬

    কামরুল হাসান

    newsimage

    হক্‌সবুরি রিভার স্টেশনে একা বসে আছি প্রকৃতির অমলিন ঔদার্যের ভিতর। স্টেশনের ওভারব্রিজ